৯ মাসে দেশে ৩০০০ খুন! ইউনুস সরকারের ব্যর্থতায় হত্যা, ধর্ষণ ও সন্ত্রাস চরমে। অর্থনীতি ধ্বংস, দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্র: জনগণ আজ অতিষ্ঠ ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর: সাম্প্রতিক এক চাঞ্চল্যকর তথ্যে দেখা যাচ্ছে, বিগত নয় মাসে দেশে প্রায় ৩,০০০ খুনের ঘটনা ঘটেছে। এই পরিসংখ্যান দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নাগরিক জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশটিকে যেন এক **‘বধ্যভূমি’**তে পরিণত করেছে। একদিকে দেশে প্রতিদিন হত্যা, সন্ত্রাস, ধর্ষণ ও অরাজকতা—অন্যদিকে সরকারের উপদেষ্টা এবং তাদের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে লুটপাট, দুর্নীতি ও দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।


জননিরাপত্তার চরম অবনতি
৯ মাসে ৩,০০০ খুনের পরিসংখ্যান (প্রতি মাসে গড়ে ৩৩৩টিরও বেশি) স্পষ্ট করে যে, সাধারণ মানুষ আজ কতটা অনিরাপদ।
হত্যা, ধর্ষণ এবং প্রকাশ্য সন্ত্রাস যেন দেশের বর্তমান চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই অরাজক পরিস্থিতিতে শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী—সকলেই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃশ্যমান তৎপরতার অভাব, বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
লুটপাট, দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক নৈরাজ্য
নাগরিক সমাজ অভিযোগ করছে, যখন দেশের সাধারণ মানুষ জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে ভুগছে, তখন ইউনূস সরকারের ঘনিষ্ঠ মহল লুটপাট এবং দুর্নীতিতে ব্যস্ত। অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, কিন্তু সরকারের কোনো দৃশ্যমান সংস্কার বা কার্যকর উদ্যোগ নেই। বরং, দেশের বন্দর বিক্রি এবং মার্কিনিদের সাথে গোপন চুক্তি করে দেশ বিক্রির মতো গুরুতর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ জনগণের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
এই ধরনের চুক্তি দেশের সার্বভৌমত্ব ও দীর্ঘমেয়াদী অর্থনীতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
দেশ বিক্রির মহা-উৎসব ও আন্তর্জাতিক খেলা
ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, তারা বিদেশি শক্তির সাথে গোপন সমঝোতা করে দেশের কৌশলগত সম্পদ বিক্রি করছে।
মার্কিনিদের সাথে গোপন চুক্তির অভিযোগ এই সন্দেহকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অনেকে এটিকে ‘দেশ বিক্রির মহা-উৎসব’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
এই ধরনের পদক্ষেপ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে মনে করছে সচেতন মহল।
এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের সামগ্রিক অস্থিতিশীলতা এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম (যেমন দ্য গার্ডিয়ান, আল জাজিরা) খবর প্রকাশ করেছে,
যেখানে প্রশাসনিক দুর্বলতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো উঠে এসেছে।
জনতার ক্ষোভ: দমবন্ধ বাংলাদেশ
জনগণের প্রশ্ন: এই ‘দমবন্ধ বাংলাদেশ’ আর কত দিন? দেশের প্রতিটি প্রান্তে মানুষ আজ এই অনির্বাচিত ও অদক্ষ ইউনূস সরকারের উপর অতিষ্ঠ।
জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা সরকারের প্রাথমিক দায়িত্ব।
কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই এই সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।
জনরোষ এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মানুষ এই অবৈধ সরকারের পতন চায় এবং দেশে গণতান্ত্রিক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য উদগ্রীব।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে, এই জনরোষ যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন।
