উপদেষ্টা ফারুকীরে প্রশ্ন করায় দীপ্ত টিভির সম্প্রচার স্থগিত ও তিন সাংবাদিক বরখাস্ত। কোথায় আজ সাংবাদিকতার স্বাধীনতা? প্রতিবাদের বদলে নীরবতা—জেনে নিন বিস্তারিত রিপোর্ট।
ঢাকা, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ — “স্বাধীনতা কোথায়?” এই প্রশ্নই যেন আজ আর কেউ তুলতে সাহস পায় না। প্রেস ফ্রিডম দিবস সামনে রেখে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে গেল: রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ফারুকীরে করা একটি তথাকথিত “অপেশাদার” প্রশ্নের জেরে দীপ্ত টিভির সম্প্রচার স্থগিত, এবং দীপ্ত টিভি, এটিএন নিউজ ও চ্যানেল আইয়ের তিনজন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।



ঘটনার পটভূমি
একটি রুটিন প্রেস কনফারেন্সে দীপ্ত টিভির এক রিপোর্টার বিদ্যুৎ সংকট, রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিনিয়োগ সংকট নিয়ে প্রশ্ন করলে উপদেষ্টা ফারুক হোসেন প্রকাশ্যে বিরক্তি জানান এবং প্রশ্নকারী সাংবাদিককে “অপেশাদার” বলে মন্তব্য করেন। সেই পরেই দীপ্ত টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়—অঘোষিতভাবে।
রোষানলে সাংবাদিকতা
কেবল দীপ্ত টিভি নয়, এই ঘটনার পর এটিএন নিউজ ও চ্যানেল আইয়ের সংশ্লিষ্ট দুই সাংবাদিককেও ছাঁটাই করা হয়। সংবাদমাধ্যমগুলো এখন অঘোষিত সেন্সরশিপের ভয়ে আত্মনিয়ন্ত্রণে যাচ্ছে।
‘রোজিনা আফসার’ কে মনে আছে?
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে একসময় গণমাধ্যমে ও রাস্তায় ছিলো প্রতিবাদের ঝড়। কিন্তু আজ দীপ্ত টিভির ওপর এমন সরাসরি নিপীড়নের ঘটনায় সেই প্রতিবাদের সুর নেই কোথাও। কেউ বলে না—“এই স্বাধীনতা গেল কই?”
