বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এক গভীর উদ্বেগের বার্তা বহন করছে। যেখানে দেশপ্রেম যদি চুপ থাকে, সেখানে ষড়যন্ত্রকারী, দুর্নীতিপরায়ণ এবং বিদেশি স্বার্থে পরিচালিত গোষ্ঠীগুলো নির্ভয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রের উপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে।
৫ আগস্ট: একটি ছায়া প্রশাসনের উত্থান
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে একটি এনজিওপন্থী, বিদেশি স্বার্থনির্ভর প্রশাসন বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়। নির্বাচন হয়নি, জনমত নেয়া হয়নি, অথচ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা চলে গেছে একটি অদৃশ্য জোটের হাতে।
এই জোট কেবল রাজনৈতিক নয়—এটি একটি করপোরেট, ধর্মীয় মৌলবাদী এবং তথাকথিত সুশীল সমাজের ছায়া চুক্তিতে তৈরি এক প্রশাসন।
নীরবতার খেসারত: ইউক্রেনের পুনরাবৃত্তি?
ইউক্রেনের ইতিহাস বলে, বৈধ সরকার সরিয়ে একসময় তাদের ভূখণ্ডের ২৫% হারিয়ে যায়। পশ্চিমা করপোরেশনের হাতে চলে যায় কৃষি ও খনিজ সম্পদ।
বাংলাদেশও আজ সেই একই ছকে হাঁটছে।
- সেন্ট মার্টিন: পর্যবেক্ষণ ও সামরিক ঘাঁটির ছদ্মপ্রয়াস
- সোনাদিয়া: বিদেশি বন্দর চুক্তির নামে কর্তৃত্ব হারানো
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: ‘আন্তর্জাতিক সহায়তা’-র নামে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ক্ষয়
নীরবতা মানে সম্মতি নয়, কিন্তু ফলাফল এক
দেশপ্রেমিকরা যদি চুপ থাকেন, তবে দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে বেইমান, বিদেশি দালাল এবং গোপন চুক্তির কুশীলবরা। যাদের কাছে দেশ মানে লভ্যাংশ, স্বাধীনতা নয়।
তাদের জন্য “জনগণের ভয়”ই সবচেয়ে বড় ঢাল। কারণ তারা জানে—সত্য বলার সাহস যখন মরে যায়, তখন মিথ্যা রাজত্ব করে।
সময় এখন জেগে ওঠার, প্রশ্ন তোলার
এখনই সময়
- মুখ খুলবার
- সত্য উচ্চারণের
- এবং দেশপ্রেমকে নীরবতা থেকে মুক্ত করার।
কারণ, ইতিহাস কখনও চুপ থাকা দেশপ্রেমিকদের ক্ষমা করে না। তারা না থাকলে, আগামীতে এই দেশটিই আর আমাদের থাকবে না।
