রাশেদ খান বলেন, নিরাপত্তা নয়, এনজিও চালিয়ে পয়সাপাতি কামানোই বর্তমান উপদেষ্টাদের লক্ষ্য। পড়ুন তার ফেসবুক পোস্টের আলোকে বিশ্লেষণ।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান অভিযোগ করে বলেছেন, বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ও সংশ্লিষ্টদের প্রধান উদ্দেশ্য দেশের নিরাপত্তা নয়, বরং এনজিও চালিয়ে ব্যক্তিগত লাভ করাই তাদের কাছে মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, "মূল সমস্যা বেঁধেছে মানবিক করিডোর ও চট্টগ্রাম বন্দর ইস্যুতে। বিদেশিদের দেওয়ার জন্য কিছু উপদেষ্টা মরিয়া, আর এজন্যই প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে। এটি আসলে প্রভুদের দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করার জন্য একটা প্রচার-প্রচারণা।
⚠️ ১০ মাসে সংস্কারহীন সরকার: নেতৃত্ব সংকট?
রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, “১০ মাসেও যদি সরকার কোনও কার্যকর সংস্কার করতে না পারে, তাহলে সেই ব্যর্থতার দায় কে নেবে?” তিনি ইঙ্গিত দেন যে, সরকার শুধু ‘পুঁথিগত আলোচনা’ করে যাচ্ছে, বাস্তব সংস্কারে কোনো অগ্রগতি নেই।
তিনি বলেন, “যথাযথ রাজনৈতিক সংলাপের অভাব, এবং দক্ষ নেতৃত্বের সংকটেই আজ এই পরিস্থিতি। সবকিছু আবেগ দিয়ে হয় না, বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন যোগ্য, সাহসী ও বাস্তববাদী নেতৃত্ব।”
🧑💼 উপদেষ্টা পরিষদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন
রাশেদ খান আরও দাবি করেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্বয়ং যোগ্য ব্যক্তি হলেও, তিনি ভুল উপদেষ্টাদের নিয়ে পথচলা শুরু করেছেন।
“ড. ইউনূস হয়তো নিজে ভাল খেলছেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি এমন একদল অনভিজ্ঞ ও বিতর্কিত মানুষকে সঙ্গে নিয়েছেন, যারা ম্যাচ জেতাতে ব্যর্থ,”—এমন মন্তব্য করে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, সরকারের সাফল্য মূলত দলগত কর্মদক্ষতার ওপর নির্ভর করে।
বর্তমান সরকারের গঠনমূলক সংস্কারের অভাব, রাজনৈতিক ঐক্যমত্য গঠনে ব্যর্থতা এবং অভ্যন্তরীণ অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে দেশের ভবিষ্যৎ এখন প্রশ্নের মুখে। রাশেদ খানের মন্তব্যগুলো শুধুমাত্র বিরোধিতামূলক নয়—বরং একটি বাস্তব ও নির্মম পর্যালোচনা, যা প্রশাসনিক কাঠামো এবং গণতন্ত্রের গতিশীলতা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলে দেয়।