ড. ইউনূস ও তার ঘনিষ্ঠ মুখপাত্র শফিকের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে এক বৃহৎ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অপারেশনের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি সুপরিকল্পিত লুটপাটের মিশন।
বাংলাদেশে বারবার উঠে এসেছে এক ভয়াবহ প্রশ্ন—আমরা কি আবার সেই ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হয়ে যাচ্ছি? আর এই প্রশ্নটি আরও দৃঢ় হচ্ছে যখন ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার নিকটতম মুখপাত্র শফিক রহমান-এর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে এক সুপরিকল্পিত লুটপাটের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ওঠে।
অনেক বিশ্লেষকের ভাষ্য, এই দুজন ব্যক্তি এখনো দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমনভাবে কাজ করছেন, যেন তারা একটি বৃহৎ ‘নব্য উপনিবেশিক অপারেশনের’ প্রতিনিধিত্ব করছেন।
আন্তর্জাতিক চুক্তি ও ‘সোশ্যাল বিজনেস’ মুখোশ
ড. ইউনূস বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এনজিও ও করপোরেট ইনভেস্টরদের সঙ্গে যে সব চুক্তি করছেন, তা দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের চেয়ে বিদেশি স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন উদ্যোগ, যেমন গ্রামীণ টেলিকম বা গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস, কার্যত এমন একটি কাঠামো তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে দেশের শ্রম, সম্পদ ও অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে—আইনি ছাঁদে, কিন্তু নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধভাবে।
শফিক রহমানের মিডিয়া প্রপাগান্ডা
ড. ইউনূসের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত শফিক রহমান, যিনি গণমাধ্যমে একসময় প্রভাবশালী ছিলেন, এখন কার্যত একটি প্রোপাগান্ডা মেশিন পরিচালনা করছেন। তিনি দেশের বাস্তবতা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।
যাদের আড়ালে ডাকাতদল কাজ করছে?
অনেকেই বলছেন, এটি কেবল একজন নোবেলজয়ীর কার্যক্রম নয়—বরং একটি বৃহৎ রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের অংশ, যেটি দেশের সংবিধান, শিক্ষা, শ্রমশক্তি ও নীতিনির্ধারণে গোপনে দখল প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
এই ‘নেটওয়ার্ক’–এর উদ্দেশ্য—
- বিদেশি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের দখলে নীতিনির্ধারণ ক্ষমতা দেওয়া
- তরুণ সমাজকে কর্পোরেট ‘সোশ্যাল বিজনেস’ দর্শনে নিয়ন্ত্রণ করা
- এনজিও কাঠামোর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হাইজ্যাক করা
জনগণের প্রশ্ন: কে রক্ষা করবে রাষ্ট্রকে?
বিশেষজ্ঞদের মতে,
"জাতীয় নিরাপত্তা, শ্রমনীতি, শিক্ষানীতি ও উন্নয়ন কৌশলে এমন ব্যক্তিরা প্রভাব ফেলছেন, যাঁদের নিজস্ব স্বার্থ রাষ্ট্রের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।"
এখন প্রশ্ন হচ্ছে—রাষ্ট্র কীভাবে প্রতিরোধ করবে এই ‘আধুনিক ডাকাতির’ অপারেশন?
ড. ইউনূস ও শফিকের নেতৃত্বে গড়ে উঠছে এমন এক পর্দার আড়ালের শক্তি, যা গণতন্ত্র, রাষ্ট্রীয় স্বার্থ এবং জাতীয় মর্যাদার জন্য হুমকি। এটি কেবল লুটপাট নয়—এটি একটি "silent capture"—যার লক্ষ্য একটি স্বাধীন দেশের ভিত ধ্বংস করা।
জনগণ, মিডিয়া এবং সচেতন মহলের দায়িত্ব এখন—এই অপারেশনকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সোচ্চার হওয়া।
