১৯৭৫ সালের আগস্ট ও ২০২৪ সালের জুলাই—দুই ভিন্ন ষড়যন্ত্র, এক অভিন্ন পরিণতি। ইতিহাস যেমন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ক্ষমা করেনি, তেমনি হারিয়ে যাবে জুলাইয়ের রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিও।
অনলাইন ডেক্সঃ মুক্তিবার্তা৭১
১৯৭৫ সালের আগস্ট -বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সকাল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারকে হত্যা করে একদল ষড়যন্ত্রকারী সেনা ও রাজনৈতিক দালাল, যাদের নেতৃত্বে ছিল খন্দকার মোশতাক। তিনি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে আখ্যা দিয়েছিলেন “আগস্ট বিপ্লব”, আর খুনিদের বলেছিলেন “সূর্যসন্তান”।
কিন্তু ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করেনি। খুনিরা একে একে ধরা পড়েছে, বিচারের মুখোমুখি হয়েছে, আর ঘৃণার আস্তাকুঁড়ে ঠাঁই পেয়েছে।
২০২৪: আরেকটি ষড়যন্ত্রের ছায়া
৪৯ বছর পর, আবারও এক “জুলাই বিপ্লব” নাম দিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত শুরু হয়।
ইউনুস সরকারের ছত্রছায়ায় পুলিশ হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সরকারি প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের এক ভয়ংকর অভিযান চলে সারাদেশে।
এই তথাকথিত “বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন” ছিল মূলত রাষ্ট্রের ভিত্তিমূলকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র।
যেমন মোশতাক বলেছিল “দেশ বাঁচাতে আগস্ট বিপ্লব করেছিলাম”, তেমনি এরা বলছে “গণতন্ত্র রক্ষায় জুলাইয়ে লড়ছি”।
ইতিহাস পুনরাবৃত্তির আগুন
- পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন থেমে গেছে।
- দেশের অর্থনীতি ধসে পড়েছে, বাজারে অস্থিরতা, মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
- কৃষক, রিকশাচালক, গার্মেন্ট শ্রমিক, শিক্ষক, ছাত্র—সবাই আজ অনিশ্চয়তার মুখে।
এ সবই জুলাই-আগস্টের তথাকথিত বিপ্লবের বিষাক্ত ফসল। জনগণের সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা শুধু সরকারের বিরুদ্ধে নয়, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আশার প্রদীপ
বাংলাদেশের মানুষ অতীতে যেমন ১৫ আগস্টের ষড়যন্ত্রকারীদের প্রত্যাখ্যান করেছে, তেমনি আজও তারা প্রস্তুত প্রতিরোধে।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই জাতি বারবার রক্ষা পেয়েছে দুর্যোগ থেকে, এবারও ব্যতিক্রম হবে না। ইতিহাস ক্ষমা করে না, সময় তার বিচার নিজেই করে।
অতএব, যারা আজ ‘জুলাই ষড়যন্ত্র’ চালাচ্ছে, তাদের পরিণতি মোশতাকদের চেয়ে ভিন্ন হবে না।
বাংলাদেশ আবারও জেগে উঠবে, ষড়যন্ত্রকারীরা আবারও ইতিহাসে পরাজিত হবে।
