নিজস্ব প্রতিবেদক

জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দুদকের অনুসন্ধানের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেনের আদেশে তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কুড়িগ্রামের রৌমারী এলাকায় ১১৮ শতাংশ জমি। এছাড়াও তাঁর নয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে ১০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা জমা আছে এবং ৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
গত ২৪ অক্টোবর রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন একটি হত্যা মামলায় তাঁর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু হয় গত মাসে। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, জাকির হোসেনের নামে ৫ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জাকির হোসেন কুড়িগ্রামের ২৬টি বিদ্যালয়কে শিশু কল্যাণ ট্রাস্টে অন্তর্ভুক্তির জন্য অনুমোদন দেন। এই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় অনিয়মিততা এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দুদকের অনুসন্ধান চলছে।
