মাত্র ৮ মাসে ৩১১ কোটি টাকার মালিক! সুইজারল্যান্ডে বাড়ি কিনেছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়ার এপিএস। দুর্নীতির অভিযোগ ফাঁসের পর অব্যাহতি।
ঢাকা, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ —
সরকারি উচ্চপদস্থ উপদেষ্টার ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়ার ঘনিষ্ঠ এক সহচর। কিন্তু সম্প্রতি এক বিস্ফোরক রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে—মাত্র ৮ মাসে তিনি হয়েছেন ৩১১ কোটি টাকার মালিক! শুধু তাই নয়, সুইজারল্যান্ডে একটি বিলাসবহুল বাড়ি কিনেছেন বলেও নিশ্চিত সূত্রে জানা গেছে।
অস্বাভাবিক সম্পদের উৎস?
এই বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে জনমনে চরম প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি প্রভাব ও পদমর্যাদা ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রকল্প ও বরাদ্দে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ৮ মাসে ৩১১ কোটি টাকার মালিক হওয়া কোনোভাবেই সাধারণ বা আইনসিদ্ধ উপার্জনের মধ্য দিয়ে সম্ভব নয়।
তথ্য ফাঁস, পদচ্যুতি:
একাধিক গোপন নথি ও আর্থিক লেনদেন ফাঁস হওয়ার পর সরকারিভাবে এপিএস-কে তৎক্ষণাৎ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। যদিও সরকারি দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনো দেওয়া হয়নি, তবে প্রভাবশালী মহলের চাপে বিষয়টি দ্রুত আড়াল করার চেষ্টা চলছে বলেও জানা গেছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কোথায়?
সরকারি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্নে সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজ উদ্বিগ্ন। তারা প্রশ্ন তুলছেন—এই ঘটনা কি আইনের আওতায় আসবে, নাকি আবারও “চাপা” পড়বে?
একজন নাগরিক বলেন, “এই দেশে হাজার কোটি টাকা চুরি করেও যদি কেউ রেহাই পায়, তাহলে আইন কেবল গরিবদের জন্য!”
জনমনে ক্ষোভ ও হতাশা:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরই মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। নেটিজেনরা বলছেন, “আমরা সুশাসনের স্বপ্ন দেখেছিলাম, কিন্তু যাদের হাতে ক্ষমতা, তারাই যখন দুর্নীতির উৎস হয়ে দাঁড়ায়, তখন জনগণের ভবিষ্যৎ কোথায়?”
প্রতিবেদন চাওয়ার আহ্বান:
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং গোয়েন্দা সংস্থার কাছে দাবি উঠেছে, দ্রুত এই সম্পদের উৎস তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এই ব্যাপারে সরকারি নীরবতা শুধু সন্দেহ বাড়াবে।
