ঢাকায় ফিলিস্তিনের পক্ষে সুন্নি আলেমদের সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা কেন? কওমিদের অনুমতি থাকলে সুন্নিদের বৈষম্য কেন? এই প্রশ্নে উত্তাল সারাদেশ।
🕌 সরকারের দ্বিচারিতা? সুন্নি আলেমদের প্রতি বৈষম্য কেন?
আগামী ২৬ এপ্রিল ঢাকায় ফিলিস্তিনের পক্ষে একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন দেশের প্রথিতযশা সুন্নি আলেম ও পীর-মাশায়েখরা। উদ্দেশ্য ছিল একটাই—গাজায় মুসলিম গণহত্যার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ। কিন্তু সরকার সে সমাবেশের অনুমতি দেয়নি। প্রশ্ন উঠছে—কওমি ঘরানার যেকোনো রাজনৈতিক/ধর্মীয় জমায়েতে অনুমতি দেওয়া হলে, সুন্নিদের সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা কেন?
🥀 ধর্মীয় স্বাধীনতার নামে পক্ষপাত?
সরকারের এ সিদ্ধান্তকে অনেকে দেখছেন ধর্মীয় স্বাধীনতায় একপাক্ষিক হস্তক্ষেপ হিসেবে। বিশেষ করে হেফাজত ঘরানার আলেমদের বহুবার প্রকাশ্য সমাবেশে সরকার অনুমতি দিয়েছে—তাদের কিছু অংশ তো সরকারের নীতিনির্ধারণেও যুক্ত। অথচ সুন্নি ঘরানার আলেমদের ফিলিস্তিনপন্থী শান্তিপূর্ণ সমাবেশে এই কড়া নিষেধাজ্ঞা?
🔥 সারাদেশে প্রতিবাদ—সুন্নি ছাত্র-শিক্ষকেরা মাঠে
এই বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। মাদরাসা, খানকা, ও সুফি ঘরানার তরুণ-তরুণীরা রাস্তায় নেমে পড়েছেন। চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী, এমনকি রাজধানীর কয়েকটি জায়গায় ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন আলেম-ওলামা ও ছাত্ররা।
🤝 পীর-মাশায়েখদের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন
আমরা বিশ্বাস করি, সুন্নি আলেমরা দেশের ঐতিহ্যবাহী ইসলামি দর্শনের ধারক ও বাহক। তারা কখনো সহিংসতা বা উগ্রতার পথে হাঁটেন না। বরং মানবতা, ভ্রাতৃত্ব এবং শান্তির বার্তা নিয়ে কাজ করেন। তাই তাদের ফিলিস্তিন সংহতির ডাক সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধ করা এক ধরনের নিপীড়ন।
আমরা আমাদের সর্বাত্মক সমর্থন জানাই এই প্রতিবাদী উদ্যোগের প্রতি। পীর-মাশায়েখদের নেতৃত্বে একটি ঐক্যবদ্ধ, মানবিক ইসলামের চর্চাই আজকের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজ
ইসলামি সংহতি কি কেবল কিছু গোষ্ঠীর জন্য?
সরকার কি কৌশলে কিছু গোষ্ঠীর ইসলামকে জায়গা দিচ্ছে, আর অন্যদের দমন করছে? ধর্মীয় স্বাধীনতা কি কেবল কওমিদের জন্য বরাদ্দ? যদি না হয়, তবে সুন্নি আলেমদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা কেন? এ প্রশ্নের জবাব সরকারকে দিতে হবে—আইনি, নৈতিক এবং রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতেই।
