আওয়ামী লীগ সরকারের আদানি বিদ্যুৎ চুক্তি ও রূপপুর প্রকল্পে কোনো দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি। বিদ্যুৎ বিভাগ, হাইকোর্ট ও রুশ দূতাবাসের প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ইউনুসের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলা হয়েছে।
ঢাকা, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ — আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তিতে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। এমনকি রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের দুর্নীতির অভিযোগকেও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্থা রোসাটম।
স্বয়ং বিদ্যুৎ বিভাগের গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অনুসন্ধানী কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার সরকারের আমলে আদানি চুক্তি সম্পূর্ণ আইনি কাঠামোর মধ্যে এবং কোনো দুর্নীতির ব্যত্যয় ছাড়াই সম্পন্ন হয়। আদালতের নির্দেশে দাখিলকৃত এই রিপোর্টে একথাও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, জনস্বার্থ-পরিপন্থী কোনো শর্ত সেখানে ছিল না।
প্রথম আলোর প্রোপাগান্ডা, ইউনুসের অভিযোগ ও বাস্তবতা
গত এক দশকে প্রথম আলো, বিবিসি বাংলা, ডেইলি স্টারসহ একাধিক বিদেশি প্রভাবাধীন গণমাধ্যমে নিয়মিত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ চুক্তি ও পারমাণবিক প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ ছড়ানো হয়।
ইউনুস গংও এই তথ্যগুলো ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক মিথ্যা প্রচার চালায়। ক্ষমতায় আসার পর ইউনুস সরকারের মদদে আদালতে দায়ের করা হয় একাধিক রিট।
রূপপুর প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি: রাশিয়া
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম ও ঢাকার রুশ দূতাবাস সরাসরি এক বিবৃতিতে জানায়—রূপপুর প্রকল্পে কোনো দুর্নীতি হয়নি। বরং প্রকল্পে দুর্নীতির গুজব ছড়িয়ে ঢাকা-মস্কো সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার চক্রান্ত চলছে।
এই তথ্যপ্রমাণ, প্রতিবেদন এবং কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়াগুলো থেকে স্পষ্ট যে, জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আরোপিত দুর্নীতির অভিযোগ ছিল মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বরং তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অবকাঠামো, জ্বালানি এবং বৈদেশিক সম্পর্কের ভিত্তি ছিল মজবুত, স্বচ্ছ এবং আইনসম্মত।
