মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে তথাকথিত ‘সংস্কার কমিশন’ আসলে একটি বিদেশি ষড়যন্ত্র। এ বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ-উসকানিসহ বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ভয়ংকর পরিকল্পনা।
প্রকাশিত: ২ মে ২০২৫
বাংলাদেশের ঘাড়ে আজ যে অভিশাপ চেপে বসেছে, তার নাম মুহাম্মদ ইউনুস। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানবতা ও শান্তির মুখোশ পরে থাকা এই ব্যক্তি দেশে ফিরেই শুরু করেছেন এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্র। তথাকথিত “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার” বা “সংস্কার কমিশন” আসলে একটি বিদেশি স্ক্রিপ্টের নাটক, যেখানে ইউনুস হচ্ছেন রিংমাস্টার, আর মঞ্চে নেমেছে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের সার্কাসদল।
ফজলুর রহমানের যুদ্ধ-উসকানি: ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন
মেজর জেনারেল (অব.) এএলএম ফজলুর রহমান ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মতো উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, যেখানে চীনের সঙ্গে সামরিক জোটের কথা তুলে ধরেছেন। এটি কি ব্যক্তিগত মত, না কি একটি বৃহৎ পরিকল্পনার সূচনা? একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার এমন বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য সরাসরি হুমকি।
ইউনুসের আন্তর্জাতিক ল্যাব ও দেশবিনাশী কর্মসূচি
ইউনুস দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন বিশ্বব্যাংক, ক্লিনটন ফাউন্ডেশন এবং সোরোসের নেটওয়ার্কের সঙ্গে। তার মাইক্রোক্রেডিট মডেল যেখানে বিশ্বে প্রশংসিত, বাস্তবে তা পরিণত হয়েছে লাখো দরিদ্র মানুষকে ঋণের দাস বানানোর এক প্রক্রিয়ায়। সেই ইউনুস এখন ‘সংস্কার’ আর ‘নতুন সরকার’-এর নামে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন।
বাংলাদেশ কি বিদেশি ষড়যন্ত্রের পরীক্ষাগার?
এই সরকার যখন ফজলুর রহমানের বক্তব্যকে “ব্যক্তিগত মত” বলে পাশ কাটাতে চায়, তখন এটা স্পষ্ট—পুরো প্রশাসনই একদল বিদেশি প্রভুর পদলেহী ক্লাউনের দলে পরিণত হয়েছে। এরা দেশকে ভালোবাসে না, এরা দেশ বিক্রি করে। এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি করে বাংলাদেশকে আবার তত্ত্বাবধায়ক চক্রের কাছে সঁপে দেওয়া।
এখন সময়—প্রতিরোধের
এই উন্মাদনা আর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এখনই সোচ্চার হতে হবে। রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে এদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি। কারণ যারা দেশের নামে যুদ্ধ ডাকে, তারা আসলে দেশকে টুকরো টুকরো করে বিক্রি করে দিতে চায়।
