✍️ রিপোর্টারদের ছাঁটাই, প্রশ্ন করায় শাস্তি
ইউনুস শাসনের অধীনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কার্যত বিলুপ্ত। জুলাই-আগস্টের সহিংসতা নিয়ে প্রশ্ন করায় একাধিক টেলিভিশন সাংবাদিককে তিরস্কার করার পর, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চাকরি হারাতে হয়েছে তাদের—এ যেন ফ্যাসিবাদের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।
🎙️ সাংস্কৃতিক উপদেষ্টার প্রকাশ্য তিরস্কার, তারপর সাংবাদিক ছাঁটাই
বেসরকারি চ্যানেলের কয়েকজন সাংবাদিক জুলাই-আগস্টের সহিংসতা নিয়ে প্রশ্ন করলে ইউনুসের এক সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা তাদের প্রকাশ্যে তিরস্কার করেন। এরপরই দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাঁটাই হয় অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা। ইউনুস শাসনের প্রেস উইংয়ের নীরবতা ও চ্যানেলগুলোর আশ্চর্য দ্রুততার এই ছাঁটাই প্রমাণ করে—এটা ছিল পরিকল্পিত দমননীতি।
⚠️ ভয়ের রাজনীতি: ভিন্নমত মানেই শাস্তি
এই ঘটনা শুধু একজন সাংবাদিকের চাকরি হারানো নয়, এটি ছিল গোটা সাংবাদিক সমাজকে ভয় দেখানোর বার্তা। এই ধরনের নিপীড়ন মুক্ত সাংবাদিকতা ও তথ্য প্রবাহের পথে বড় বাধা।
🪧 ছাত্রসংগঠন দিয়ে হুমকি: চ্যানেল ঘেরাওয়ের আল্টিমেটাম
ইউনুসপন্থী একটি ফেসবুক পেজ “জুলাই রেভ্যুলুশনারি অ্যালায়েন্স”-এ প্রকাশিত হয় একটি ভয়াবহ হুমকি:
“এই সাংবাদিকদের বরখাস্ত না করলে দীপ্ত টিভি, চ্যানেল আই ও এটিএন বাংলার দিকে মার্চ করা হবে”—এ একেবারে সংগঠিত সহিংসতার হুমকি।
🔍 আন্তর্জাতিক রিপোর্ট: হুমকির ভয়াবহতা আরও গভীর
বিবিসি বাংলার এক রিপোর্ট অনুযায়ী, চ্যানেল প্রধানদের ফোন করে বলা হয়—চাকরি না গেলে টেলিভিশন স্টেশন ঘেরাও ও ভাঙচুর করা হবে। ভয় ও চাপের মধ্যে সাংবাদিকতা কখনো স্বাধীন হতে পারে না।
📢 মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হুমকির মুখে
এই ছাঁটাই, হুমকি এবং মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে, ইউনুস শাসন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নয়—বরং ভয় ও দমননীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
🔚 উপসংহার: এখনই সোচ্চার হওয়ার সময়
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করে কোনো উন্নয়ন টিকবে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা না করলে জাতি নীরবতা ও অন্ধকারেই ডুবে যাবে।
