ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস ও আন্তর্জাতিক সামরিক ঘাঁটির ষড়যন্ত্র চলছে। টেকনাফে মার্কিন ঘাঁটি স্থাপনসহ দেশবিক্রির নীলনকশা বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে অভিযোগ।
ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন তথাকথিত প্রশাসন আজ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শুধু অভ্যন্তরীণ নয়, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রেরও কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। অভ্যন্তরে জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ এবং বিদেশি এজেন্ডার দাপটে গণতন্ত্র ধ্বংস হচ্ছে; আর আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশকে পরিণত করা হচ্ছে একটি সামরিক ট্রানজিট জোনে।
বিশ্ব যখন মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত, তখন ইউনুস মিয়ানমারের আরাকান অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলিকে সমর্থন দিচ্ছেন, তাদের বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র ও লজিস্টিক সহায়তা পৌঁছাতে দিচ্ছেন। বিশেষ করে কক্সবাজার-টেকনাফ অঞ্চল হয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসীদের মুক্তপথ।
এর ফলে শুধু বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নয়, পুরো উপমহাদেশের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে। রোহিঙ্গা এবং মৌলবাদী গোষ্ঠীকে ব্যবহার করে ভারতের সেভেন সিস্টার অঞ্চলে অস্থিরতা ছড়ানোর পরিকল্পনা এখন প্রকাশ্য। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নষ্ট করার জন্যই এই গভীর ষড়যন্ত্র চলছে।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিক হলো, ড. ইউনুস সম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের গোপন চুক্তি করেছেন, যা চীন, ভারত বা রাশিয়ার মত আঞ্চলিক শক্তিগুলিকে পাশ কাটিয়ে দেশের ভূখণ্ডকে সরাসরি বিদেশি শক্তির নিয়ন্ত্রণে দেয়ার মতো কাজ। টেকনাফের শীলখালীতে ইতোমধ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।
এই প্রশাসন শুধু অবৈধ নয়, এটি একটি দেশবিরোধী চক্রান্তের কেন্দ্র। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে। তাই এখনই সময়—এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
বাংলাদেশ কারো সামরিক ঘাঁটি নয়। এটা কোনো বিদেশি শক্তির গেম বোর্ড নয়। দেশ বাঁচাতে হলে ইউনুস সরকারকে বিদায় করতে হবে—এটাই এখন জাতীয় কর্তব্য।
