সন্ত্রাসের আশ্রয়দাতা পাকিস্তান জঙ্গিদের লালন করে, আবার মিথ্যা গল্পে নিজেকে নির্দোষ বলে তুলে ধরে!
পাকিস্তান আজ এক গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটে জর্জরিত। দারিদ্র্য, মুদ্রাস্ফীতি, দুর্নীতি এবং সামরিক কর্তৃত্ববাদে জর্জরিত দেশটি যখন অভ্যন্তরীণভাবে মুখ থুবড়ে পড়ছে, তখন সেই ব্যর্থতা ঢাকতে তারা বেছে নিয়েছে এক নতুন অস্ত্র—প্রপাগান্ডা। সন্ত্রাসের আশ্রয়দাতা পাকিস্তান জঙ্গিদের লালন করে, আবার মিথ্যা গল্পে নিজেকে নির্দোষ বলে তুলে ধরে!
তালেবান, লস্কর-ই-তইয়েবা, হিজবুল মুজাহিদিনসহ একাধিক চিহ্নিত জঙ্গি সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে পরিচালিত হচ্ছে।কিন্তু এই বাস্তবতা থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি সরাতে পাকিস্তান এখন আশ্রয় নিয়েছে মিথ্যা প্রপাগান্ডার। সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউব, টুইটার ও বিদেশি মিডিয়ার একটি অংশকে ব্যবহার করে পাকিস্তান তার বিরুদ্ধে ওঠা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপকে “মিথ্যা অপবাদ” হিসেবে দেখানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে মানবাধিকার, ধর্মীয় নিপীড়ন ও ‘কাশ্মীর ইস্যু’কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো—দেশটির ভেতরে সংখ্যালঘু নিপীড়ন, সাংবাদিক নিখোঁজ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সামরিক একনায়কতন্ত্র চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।তারা নিজেরাই যে এই জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর রাজনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদার, তা গোপন করতে মিথ্যা কাহিনি রচনা করছে।
বাংলাদেশও এই প্রপাগান্ডার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বহুবার। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে পাকিস্তান মিথ্যাচার করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে।এটা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা আড়ালের চেষ্টা নয়, বরং এটি গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য একটি সুস্পষ্ট হুমকি।
পাকিস্তানের সামরিক ও গোপন সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে তালেবান, লস্কর-ই-তইয়েবা, হিজবুল মুজাহিদিনসহ বহু সন্ত্রাসী সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক পাকিস্তান নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে আজ মিথ্যার আশ্রয়ে!
