নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির নামধারী কিছু ব্যক্তি কালের কণ্ঠ পত্রিকায় গিয়ে নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলীকে তুলে দেওয়ার দাবি তোলে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় এমন হামকি কি নতুন নজির তৈরি করছে?
📅 প্রকাশিত তারিখ: 10 May 2025;
ঢাকার কাকরাইলে কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান কার্যালয়ে আজ দুপুরে ঘটেছে এক উদ্বেগজনক ঘটনা। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির নাম ব্যবহারকারী একটি দল প্রবেশ করে নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলীকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে সরব হয়।
হুমকি ও দম্ভের প্রদর্শনী
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রায় ২০-২৫ জন যুবক “ছাত্র প্রতিনিধি” পরিচয়ে প্রবেশ করে, হায়দার আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলে কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষকে। তাদের ভাষ্যমতে, হায়দার আলীর কিছু লেখা বা অবস্থান “বিশ্ববিদ্যালয় ও তরুণ সমাজবিরোধী” — এই অভিযোগে তারা তাঁকে অবিলম্বে চাকরিচ্যুত করার দাবি তোলে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আজ কোথায়?
এই ঘটনার ফলে সাংবাদিক মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গণমাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেখানে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে সংরক্ষিত থাকা উচিত, সেখানে নামধারী ছাত্রদের এমন সন্ত্রাসী আচরণ আমাদের গণতান্ত্রিক কাঠামোর বিপরীতে দাঁড় করাচ্ছে।
এর পেছনে কারা?
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি নিছক ছাত্রদের অসন্তোষ নয়—বরং সুপরিকল্পিত প্ররোচনার অংশ। কে বা কারা এই ঘটনায় ছাত্রদের নাম ব্যবহার করছে, এবং কাদের মদদে তারা গণমাধ্যমে হামকি দিতে সাহস পাচ্ছে—তা এখন রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের বিষয়।
