পুলিশের বাধা দেওয়ায় শাহবাগ থানায় হামলা চালিয়েছে উগ্র “জুলাই সন্ত্রাসী” গোষ্ঠী, গুরুতর আহত হয়েছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা।
📅 প্রকাশিত: ১২ মে ২০২৫
রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র শাহবাগ আজ আবারও সন্ত্রাসের মুখোমুখি।
১২ মে ২০২৫, সোমবার দুপুরে, পুলিশের রাস্তা অবরোধ ঠেকানোর উদ্যোগে ক্ষিপ্ত হয়ে তথাকথিত “জুলাই সন্ত্রাসী” গোষ্ঠী শাহবাগ থানায় সরাসরি হামলা চালায়। এতে একজন পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন, থানার সামনের নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভাঙচুর করা হয়।
🔥 ঘটনার বিবরণ
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা সংলগ্ন শাহবাগ মোড়ে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির অজুহাতে রাস্তা অবরোধ করে উগ্রপন্থী গ্রুপটি।
পুলিশ বাধা দিলে হামলাকারীরা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে ধাওয়া করে থানার সামনে হামলা চালায়।
এ সময় থানার ফটক ও আশপাশের সরকারি সম্পত্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
❓ নিরাপত্তা বাহিনীর নিরাপত্তা কে দেবে?
এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে।
যে বাহিনী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার প্রতীক, আজ তারাই আক্রান্ত।
এটি শুধু একটি হামলা নয়, বরং রাষ্ট্রের ভিতরে রাষ্ট্রবিরোধী মনোভাবের প্রকাশ।
🧠 রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট
“জুলাই সন্ত্রাসীরা” মূলত উগ্র রাজনীতির একটি নতুন রূপ।
তাদের কার্যক্রম একদিকে যেমন জনজীবনে আতঙ্ক তৈরি করছে, অন্যদিকে পুলিশ বাহিনীকে দুর্বল করতে চায়।
এটি স্পষ্টতই একটি রাজনৈতিক উত্তেজনা উসকে দেওয়া ও বিশৃঙ্খলা তৈরির চক্রান্ত।
🚔 তদন্ত ও ব্যবস্থা
ঘটনার পরপরই শাহবাগ থানা পুলিশ মামলা দায়ের করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু হয়েছে।
তবে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ—“যখন পুলিশের ওপরই হামলা হয়, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
রাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বাহিনীর মনোবল চূর্ণ করতে যারা সন্ত্রাসের পথ নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
শান্তির ব্যারিকেড যদি বারবার ভেঙে পড়ে, তাহলে শুধু পুলিশ নয়—গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারও বিপন্ন হবে।
