বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যাচ্ছে, সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানকে সরিয়ে গ্রেপ্তারের ষড়যন্ত্র চলছে। রাখাইন করিডোর ও চট্টগ্রাম বন্দরের সম্ভাব্য বিদেশি লিজ বিরোধী অবস্থানের জেরেই এই পদক্ষেপ? বিস্তারিত অনুসন্ধানে…
বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও সামরিক অঙ্গনে এক অস্বাভাবিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে ঘিরে গ্রেপ্তার পরিকল্পনার গুজব ছড়িয়ে পড়েছে এবং সূত্র বলছে, তার অবস্থানের বিরুদ্ধেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে—বিশেষত রাখাইন করিডোর ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর বিদেশি লিজ দেওয়ার বিরোধিতার প্রেক্ষিতে।
বিশেষ নিরাপত্তার খাতিরে সেনানিবাস এলাকা এবং তার আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে, ফলে সমস্ত মিছিল, সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সেনাবাহিনীর ভেতরে একটি অংশ বিদেশি করিডোর ও বন্দর ব্যবস্থাপনার বিরোধিতা করছে, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর প্রশ্ন তুলছে। এই বিরোধিতাকে চুপ করিয়ে দিতেই “প্রহসনের বিচার” এর প্রস্তুতি চলছে—এমন অভিযোগ উঠেছে একাধিক সশস্ত্র বাহিনী সংশ্লিষ্ট সূত্রে।
একজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা জানান:
“দেশের ভৌগোলিক স্বার্থ ও বন্দরনির্ভর অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভেতরেই দ্বিমত ছিল। এই দ্বিমতের নেতারা হয়তো এখনই টার্গেট।”
সরকারের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে অভ্যন্তরীণ মহলে অস্বাভাবিক নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
🛑 গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো:
- সেনা এলাকায় ১৪৪ ধারা, সম্ভাব্য “নজরদারি ও নিরাপত্তা প্রয়োগ”।
- সেনাপ্রধানের অবস্থান ও মতামত ঘিরে বিভাজন।
- চট্টগ্রাম ও রাখাইন করিডোর ইস্যুতে জাতীয় স্বার্থ বনাম আন্তর্জাতিক চুক্তির দ্বন্দ্ব।
