ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, সেনাবাহিনী রাজনীতিতে নাক গলাতে পারবে না। সেনাপ্রধানের নির্বাচনী মন্তব্যকে এখতিয়ার বহির্ভূত উল্লেখ করে তিনি আগামী নির্বাচন ও আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নিয়ে সতর্কবার্তা দেন।
সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, “আজকের দুনিয়ায় কোনো সভ্য দেশের সেনাবাহিনী রাজনীতি করে না।” এ বক্তব্য তিনি ব্যক্ত করেছেন আজ (২৩ মে) সকালে তার নিজস্ব ফেসবুক স্ট্যাটাসে।
🔍 মূল বক্তব্য বিশ্লেষণ:
- সেনাবাহিনীর রাজনীতি করা গ্রহণযোগ্য নয় – এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে।
- সেনাপ্রধানের নির্বাচন নিয়ে বক্তব্যকে ‘জুরিশডিকশনাল কারেক্টনেস’ এর বাইরে বলেও মন্তব্য করেন।
- একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন যে, “সেনাবাহিনীকে প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে, কিন্তু হঠকারী সিদ্ধান্তও নেয়া যাবে না।”
- আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের বিরোধিতা করেছেন তিনি, ইনক্লুসিভ পলিটিক্সের নামে।
🗳️ নির্বাচন প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা:
- নির্বাচন হবে এপ্রিল-মে ২০২৬ এর মধ্যে – এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
- জুলাই আন্দোলনের সফলতা ও তার এক বছর পূর্তিকে সামনে রেখে সরকারকে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে আহ্বান জানান।
- একইসাথে তিনি ঘোষণা করেন, আগস্টের মধ্যেই শেখ হাসিনার বিচারের প্রথম রায় দেখতে পাওয়া যাবে বলেও প্রত্যাশা।
🗨️ রাজনৈতিক বার্তা ও জাতীয়তা:
তার বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে তিনটি স্লোগান:
- ইনকিলাব জিন্দাবাদ
- প্রফেসর ইউনূস জিন্দাবাদ
- বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
এগুলো নিছক স্লোগান নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক আবহের বার্তা বহন করে।
