
বাংলাদেশে ধর্ষক, খুনি, জঙ্গি ও চাঁদাবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে এনসিপি। সংগঠনটি এখন অপরাধীদের রক্ষাকবচে পরিণত হয়েছে। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান।
অনলাইন ডেক্সঃ মুক্তিবার্তা৭১
বাংলাদেশে সম্প্রতি একটি ভয়াবহ সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রবণতা দৃশ্যমান হয়েছে—একটি চিহ্নিত সংগঠন ‘ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি’ (এনসিপি) এখন নানা ধরনের অপরাধী, ধর্ষক, খুনি, জঙ্গি ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ষাকবচ হয়ে উঠেছে।
শুধু রাজনীতি নয়, রাষ্ট্রব্যবস্থাকেই গিলে খাওয়ার মতো এক অপরাধচক্রীয় আশ্রয়দাতা প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে এনসিপি। এর ছত্রছায়ায় পলাতক ধর্ষক, খুনের আসামি, অস্ত্রধারী জঙ্গি ও অর্থনৈতিক অপরাধে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
🧨 ধর্ষকদের নিরাপদ আশ্রয় এনসিপি?
- সম্প্রতি খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহে ধর্ষণ মামলার অভিযুক্তদের এনসিপির হয়ে মিছিল করতে দেখা গেছে।
- নারী নিপীড়নে অভিযুক্ত নেতারা এখন এনসিপির রাজনৈতিক ব্যানারে র্যালি করছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা নিষ্ক্রিয় করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনে চাপ দিচ্ছে দলীয় পরিচয়ে।
💣 অপরাধীদের অভয়ারণ্য:
১. চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজ সিন্ডিকেট:
এনসিপির অন্তর্বর্তী ‘ইকোনমিক সেল’ এখন দালাল, মাদক ব্যবসায়ী ও অবৈধ অর্থ উপার্জনে যুক্তদের দিয়ে পরিচালিত।
২. জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা:
‘ছাত্র-জনতা’, ‘বৈছা’ ইত্যাদি এনসিপির অঙ্গসংগঠন হিসেবে কট্টর ধর্মীয় উগ্রবাদী মতাদর্শ ছড়াচ্ছে।
৩. খুনের মামলার আসামি ও পলাতকদের আশ্রয়:
রাজনৈতিক পরিচয়ে এখন অনেক পলাতক আসামি ‘রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার’ হিসেবে নিজেদের রক্ষা করছে।
🎯 উদ্দেশ্য কী?
- রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে একত্রিত করে একটি ছদ্মবেশী বিপ্লবী সরকার কায়েম।
- সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ভেঙে ফেলা।
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত ও দুর্বল করা।
🧠 বিশ্লেষকদের মতামত:
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহফুজ ইকবাল বলেন,
“এনসিপি এখন একটি অপরাধ-রাজনীতির হাইব্রিড প্ল্যাটফর্ম। যারা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তারা একে আশ্রয় হিসেবে বেছে নিচ্ছে। এটি শুধু রাজনৈতিক সমস্যা নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলার জন্য হুমকি।”
🛡️ করণীয়:
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচিত নিষিদ্ধ ঘোষণার মতো ব্যবস্থা নেওয়া, যদি প্রমাণ মেলে এনসিপি অপরাধীদের সংগঠিত করছে।
- মিডিয়া ও সুশীল সমাজকে সামনে এসে জনগণকে সতর্ক করতে হবে এই অপরাধী-রাজনীতির বিপদ সম্পর্কে।
- আইন ও বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ঠেকাতে হবে।
ধর্ষক, খুনি, জঙ্গি ও অপরাধীরা যদি কোনো রাজনৈতিক ছাতার নিচে আশ্রয় পায়, তাহলে শুধু আইন নয়—সংবিধান, সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এনসিপির মতো সংগঠন যদি অপরাধীদের রক্ষাকবচে পরিণত হয়, তবে দেশের ভবিষ্যৎ হবে একটি অপরাধ-নির্ভর জঙ্গি রাষ্ট্র।
এখনই সময় সচেতন প্রতিরোধ গড়ে তোলার।
