বাংলাদেশে মব সন্ত্রাস, হত্যা, দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে দেশে ভয়ংকর ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে ড. মুহাম্মদ ইউনুস। ফেসবুকে পোস্ট, লাইক, কমেন্ট নিষিদ্ধ করে মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। ইউনুস স্বৈরতন্ত্র, বাংলাদেশে মব সন্ত্রাস, বাকস্বাধীনতা
বর্তমানে বাংলাদেশ এমন এক চরম দুঃসময় পার করছে, যেখানে মানুষের বাকস্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার ভূলুণ্ঠিত। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস দেশের ইতিহাসে এক ভয়াবহ স্বৈরাচারী শাসনের উদাহরণ তৈরি করেছেন।
জনগণের বিরুদ্ধে মব সন্ত্রাস, খুন, লুটতরাজ ও হত্যাকাণ্ডকে একটি রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিণত করে তিনি কার্যত ফ্যাসিবাদের সূচনা করেছেন।
ফেসবুকে লাইক দিলেই শাস্তি: বাকস্বাধীনতা চূর্ণবিচূর্ণ
সরকারবিরোধী পোস্টে লাইক দিলেও গ্রেপ্তার, জিজ্ঞাসাবাদ বা গুম—এ যেন আজকের বাস্তবতা। এমনকি কোনো মন্তব্য করাও এখন “রাষ্ট্রদ্রোহ” হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ড. ইউনুসের প্রণীত একটি অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, “সরকারের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে কোনো পোস্ট, কমেন্ট বা লাইক অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং তার উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হবে।”
এতে বাংলাদেশের জনগণের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার কার্যত নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। এটি শুধুমাত্র একটি আইন নয়—এটি বাকস্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।
রাষ্ট্রীয়ভাবে সৃষ্ট আতঙ্ক: নিরাপত্তাহীনতা সর্বত্র
দেশজুড়ে চলছে গুম, খুন, ধর্ষণ ও লুটপাট। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে এমন ভয়ংকর দমন-পীড়নের নজির দেখা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাজার, শহর থেকে গ্রাম—কোথাও কেউ নিরাপদ নয়।
এটি এক ভয়ংকর ‘মব রাষ্ট্র’-এ পরিণত হয়েছে, যেখানে আইন নয়, শাসন করে আতঙ্ক ও দমন।
ড. ইউনুস: এক নতুন স্বৈরাচারী অধ্যায়ের রচয়িতা
ড. ইউনুস নিজেকে শান্তির দূত বলে পরিচয় দিলেও বাস্তবে তিনি তৈরি করেছেন এক নব্য ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা। তার ‘গণতন্ত্র’ কেবল তার নিজস্ব বলয়ের জন্য প্রযোজ্য, জনগণের জন্য নয়।
স্বাধীন মতপ্রকাশ, সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবকিছুর ওপর কঠোর নজরদারি ও নিষেধাজ্ঞা জারি করে তিনি পরিণত হয়েছেন আধুনিক কালের এক স্বৈরাচকে।
বাংলাদেশ আজ ভয় ও দমনের রাজ্যে পরিণত হয়েছে, যেখানে মানুষের কোনো মৌলিক অধিকার নেই। জাতি আজ চায় মুক্তি—স্বৈরতন্ত্র থেকে, ইউনুসের ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে।
তাই সময় এসেছে এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও বাকস্বাধীনতার বিরুদ্ধে গণজাগরণ সৃষ্টির। ইতিহাস প্রমাণ করে—স্বৈরাচার চিরস্থায়ী হয় না, এবং বাঙালি জাতি কখনও দমে যায় না।
