মালয়েশিয়া ৩২ দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য এক বছরের ‘গ্র্যাজুয়েট পাশ’ ভিসা চালু করেছে, তবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা এর বাইরে।
_মুক্তিবার্তা৭১
মালয়েশিয়ার ‘গ্র্যাজুয়েট পাশ’ ভিসায় বাংলাদেশ বাদ: কেন এই বৈষম্য? মালয়েশিয়া সম্প্রতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এক বছরের ‘গ্র্যাজুয়েট পাশ’ সোশ্যাল ভিজিট পাস চালু করেছে, যা শিক্ষাজীবন শেষে নির্দিষ্ট খাতে কাজ করার সুযোগ দেবে। তবে হতাশার বিষয়—এই সুবিধা পাবেন না বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।
ইমএমজিএস ও ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া (আইআইইউএম) জানিয়েছে, ভিসাটি শুধুমাত্র ৩২টি দেশের জন্য প্রযোজ্য, যার মধ্যে ভারত ও চীন থাকলেও বাংলাদেশ নেই।
কেন বাদ বাংলাদেশ?
কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে মালয়েশিয়ার সাম্প্রতিক নীতি কঠোর হয়েছে। বিশেষ করে—
- বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা
- সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গি সংশ্লিষ্ট গ্রেপ্তার
- ইমিগ্রেশন শর্ত লঙ্ঘন
এসব ঘটনা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভিসার সুবিধা ও শর্ত:
- মেয়াদ: ১২ মাস
- নিয়োগদাতা স্পন্সরশিপ ছাড়াই কাজের সুযোগ
- খাত: আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, স্বাস্থ্যসেবা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সাইবার সিকিউরিটি ইত্যাদি
- শর্ত: বৈধ স্টুডেন্ট ভিসা, ১৮ মাস মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য বীমা, ন্যূনতম ১,৫০০ রিঙ্গিত আয় প্রমাণ
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া:
শিক্ষার্থীরা বলছেন, তালিকা থেকে বাংলাদেশের বাদ পড়া কেবল অর্থনৈতিক সুযোগ হারানো নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। অনেকেই মনে করছেন, সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো জরুরি।
📌 মূল বার্তা:
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যদি মালয়েশিয়ার এ ধরনের সুযোগ পেতে চান, তবে দেশের ভাবমূর্তি পুনর্গঠন ও কূটনৈতিক উদ্যোগ অপরিহার্য।
