ময়মনসিংহ থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জেসমিন আরা রুমা গ্রেপ্তার। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বশস্ত্র হামলার মামলায় রুমাকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আটক করেছে পুলিশ।
ময়মনসিংহ থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জেসমিন আরা রুমা (২৭)কে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। গ্রেপ্তারি অভিযানটি সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর মালগুদাম এলাকা থেকে পরিচালিত হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয় এবং রুমাকে আটক করা হয়।
রুমা, যিনি অবসরপ্রাপ্ত রেলকর্মচারী আবু তাহেলের মেয়ে, শহরের মালগুদাম এলাকায় থাকেন। তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বশস্ত্র হামলার মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ওসি শিবিরুল ইসলাম জানান, “আমরা গোপন সূত্র থেকে খবর পেয়েছি যে রুমা মামলার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।
তাই রাতের অন্ধকারে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
এটি কোনো একক ঘটনা নয়। একই মামলায় ইতিমধ্যেই কয়েকজন স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামলায় আরও কিছু আসামিকে চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেসমিন আরা রুমা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে সহ-সভাপতির পদে আছেন।
ছাত্রলীগের এই শীর্ষ নেত্রী বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি জেলা ও দেশের রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, আইনানুগ প্রক্রিয়া মেনে তাকে ময়মনসিংহ মডেল থানায় হাজির করা হয়েছে।
তদন্তকারীরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে মামলার অন্যান্য জড়িতদের চিহ্নিত করতে সাহায্য মিলবে।
এর আগে, স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মীদের নিয়েও পুলিশের অভিযান চলছিল, এবং তারা আদালতে হাজিরের পর জামিন আবেদন করেছেন।
রুমার গ্রেপ্তারের পর এই মামলার প্রেক্ষাপটে জেলা পুলিশের তৎপরতা আরও বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনা ময়মনসিংহে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়রা ও ছাত্র-জনতার মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। সমাজমাধ্যমে এই ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।
আসামী ও অভিযোগের বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনানুগ প্রক্রিয়া চালানো হবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
