রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। ২৯ আগস্ট গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।
শাহবাগ থানায় দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট, হাইকোর্টে জামিন পেলেন সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী হাইকোর্টে জামিন পেলেন সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী। রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিচারপতি মো. মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইব্রাহিম খলিল, যিনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট শাহবাগ থানার ওই মামলায় আদালত লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলাটি দায়ের করেন থানার এসআই মো. আমিরুল ইসলাম। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ আগস্ট সকাল ১০টায়
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির অডিটরিয়ামে ‘মঞ্চ ৭১’ এর ব্যানারে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে লতিফ সিদ্দিকী
নাকি দেশকে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করার এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ আনা হয়।
পরে বৈঠকে উপস্থিত ৭০ থেকে ৮০ জনের মধ্যে থেকে ১৬ জনকে আটক করে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন,
কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খানসহ অনেকে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান আসামিদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন।
তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, লতিফ সিদ্দিকী রাজনৈতিকভাবে হয়রানির শিকার এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন।
সব পক্ষের যুক্তি শোনার পর হাইকোর্ট বৃহস্পতিবার সাবেক মন্ত্রীর জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘মঞ্চ ৭১’ নামে ঘোষিত সংগঠনটির সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির প্রতিবাদ জানাতে জনগণকে আত্মত্যাগের আহ্বান জানায়।
তবে পুলিশের দাবি, সংগঠনটি আসলে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল।
হাইকোর্টের আদেশে লতিফ সিদ্দিকীর মুক্তির পথ খুললেও মামলাটি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।
