ঈদের দিন যমুনায় কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নামাজ শেষে সকাল ১০টায় শুরু হবে অনুষ্ঠান।
প্রতিবেদন
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঈদের দিন সকাল ১০টা থেকে এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। বুধবার (১৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ঈদের দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
এরপর তিনি সরাসরি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময় কার্যক্রমে অংশ নেবেন।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে থাকবেন ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের
কূটনীতিক, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, জাতীয় সংসদের সদস্য, শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা, শিল্পী-সাহিত্যিক এবং উচ্চপদস্থ সরকারি
ও বেসরকারি কর্মকর্তারা। পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও
জোরদার করার বার্তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেশবাসীর সঙ্গে সরাসরি শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন প্রধানমন্ত্রী।
আতিকুর রহমান রুমন আরও জানান, যমুনায় আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রধানমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে যাবেন।
সেখানে তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর কবর জিয়ারত করবেন।
এবারের ঈদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর বিদেশে অবস্থান করার পর এটাই তার
দেশের মাটিতে প্রথম ঈদ উদ্যাপন। তিনি এতদিন যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থান করছিলেন এবং সেখানেই ঈদ পালন করতেন।
গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর তিনি পরিবারসহ দেশে ফেরেন। এরপর চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে অংশ নিয়ে এক-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশে ফিরে প্রথম ঈদ উদ্যাপন এবং জনসাধারণের সঙ্গে সরাসরি শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ
রাজনৈতিক ও সামাজিক বার্তা বহন করছে। এর মাধ্যমে তিনি জনগণের আরও কাছে আসার সুযোগ পাচ্ছেন বলে মনে করা হচ্ছে।ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
