মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে ঢাকার জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও ফ্লাইপাস্ট। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দরের National Parade Ground-এ বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে আয়োজিত এ জমকালো অনুষ্ঠানে অংশ নেয় সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট এবং বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি Mohammad Shahabuddin। সকাল ১০টার পর তিনি জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান উপস্থিত বিশিষ্টজনরা। রাষ্ট্রপতি পরে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী বাহিনীর সালাম গ্রহণ করেন।
স্বাধীনতা দিবসের এই আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা তাদের কৌশল, শৃঙ্খলা ও সামরিক সক্ষমতার প্রদর্শন করেন।
সুশৃঙ্খল পদযাত্রা, সমন্বিত ড্রিল এবং বিভিন্ন প্রতীকী উপস্থাপনার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস ও অগ্রযাত্রার চিত্র তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মনোমুগ্ধকর ফ্লাইপাস্ট। আকাশে যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের সমন্বিত প্রদর্শনী দর্শকদের মুগ্ধ করে।
রঙিন ধোঁয়ার মাধ্যমে জাতীয় পতাকার প্রতিচ্ছবি তৈরি করে পাইলটরা স্বাধীনতার আবেগকে আরও উজ্জীবিত করেন।
এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা, দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব, দেশি-বিদেশি কূটনৈতিক ব্যক্তিত্ব
এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা। তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এছাড়া হাজারো সাধারণ মানুষ জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে উপস্থিত হয়ে এই কুচকাওয়াজ ও ফ্লাইপাস্ট উপভোগ করেন। পরিবার-পরিজনসহ আগত দর্শনার্থীরা উৎসবমুখর
পরিবেশে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকায় পুরো অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছরই জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে এ ধরনের আয়োজন করা হয়। এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়,
বরং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের বর্ণাঢ্য আয়োজন দেশের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সামরিক সক্ষমতার প্রতীক হিসেবে কাজ করে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতেও ভূমিকা রাখে।
