বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৫টি জামাতের সময়সূচি ঘোষণা করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। জেনে নিন কখন কোন জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিবেদন
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী শুক্রবার বা শনিবার (২০ বা ২১ মার্চ) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপিত হতে পারে। বুধবার (১৮ মার্চ) ইসলামিক ফাউন্ডেশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, প্রতি বছরের মতো এবারও জাতীয়
মসজিদে বিপুলসংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতি বিবেচনায় একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায়।
এই জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।
বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী।
অন্যদিকে, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ ঈদের দিন ভোর থেকে ধারাবাহিকভাবে পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সময়সূচি অনুযায়ী প্রথম
জামাত সকাল ৭টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায়, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
জামাতগুলোতে পর্যায়ক্রমে ইমামতি করবেন সংশ্লিষ্ট আলেমরা। প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান।
দ্বিতীয় জামাতে থাকবেন পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী। তৃতীয় জামাতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেন।
চতুর্থ জামাতে ইমামতি করবেন ইমাম প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী।
আর পঞ্চম ও শেষ জামাতে ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,
কোনো কারণে নির্ধারিত ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মাওলানা শহীদুল ইসলাম প্রস্তুত থাকবেন।
প্রতিবছর ঈদের দিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে লাখো মুসল্লি নামাজ আদায় করতে আসেন।
তাই মুসল্লিদের সুবিধার্থে একাধিক জামাতের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে সবাই নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য ঈদুল ফিতর শুধু আনন্দের দিন নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি ও সংযমের এক মাসব্যাপী সাধনার পর প্রাপ্তির উৎসব।
