নেতৃত্বে এনসিপি ও জামায়াত, লক্ষ্যে বিএনপি এর রাজনীতি—বিক্ষোভ না প্রতিশোধ? মিডফোর্ড মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন এলাকায় সোহাগ হত্যার রেশ না কাটতেই সারাদেশে বিএনপির বিভিন্ন অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে।
মিডফোর্ড মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন এলাকায় সোহাগ হত্যার রেশ না কাটতেই সারাদেশে বিএনপি এর বিভিন্ন অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এসব হামলার নেতৃত্বে রয়েছে সদ্য রাজনৈতিক আলোচনায় উঠে আসা এনসিপি এবং জামায়াতে ইসলামীর অস্থির সক্রিয় অংশ।
- ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুমিল্লা, সিলেট ও বরিশালসহ অন্তত ২০+ জেলায় বিএনপির থানা ও ওয়ার্ড অফিসে অগ্নিসংযোগ হয়েছে।
- হামলাকারীরা বেশিরভাগ স্থানে মুখোশ পরে এসেছে, “শহীদ সোহাগের বদলা চাই” স্লোগান দিয়েছে।
- হামলার ধরন ছিল লক্ষ্যভিত্তিক—বিএনপির পোস্টার, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা, দলীয় নেতার ছবিতে আগুন, এবং নথি পুড়িয়ে ফেলা।
- রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সহিংসতার উদ্দেশ্য হতে পারে—
- বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল করা
- দেশের রাজনীতিকে ‘নির্বাচন-পূর্ব সংঘর্ষ’ অবস্থায় নিয়ে যাওয়া
- এনসিপিকে নতুন “মাঠের নিয়ন্ত্রক শক্তি” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা
অতীতের প্রেক্ষাপটে এই সহিংসতা কতটা গভীর? মিডফোর্ডে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সোহাগ হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে এই প্রতিক্রিয়া প্রশ্ন তুলেছে—“একটি হত্যার প্রতিশোধ কি শুধু বিএনপির অফিস পুড়িয়ে নেওয়া
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এটি একটি পরিকল্পিত চক্রান্তের অংশ—যার মাধ্যমে একটি জাতীয় রাজনৈতিক শক্তিকে কোণঠাসা করার মাধ্যমে নতুন রাজনীতি তৈরি করা হচ্ছে।”
