‘এএসপি সুমাইয়া জাফরিন’ নামে কেউ বাংলাদেশ পুলিশে নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। সশস্ত্র প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের ভুয়া খবরে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আওয়ামী লীগের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ ইস্যুকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এক সেনা কর্মকর্তার স্ত্রীকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্যকে সরাসরি অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর।শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে পুলিশের পক্ষ থেকে এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় “সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সুমাইয়া জাফরিন’ নামের এক মহিলাকে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। বিষয়টি পুলিশের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।”
পুলিশ সদর দপ্তরের ভাষ্য, “বাংলাদেশ পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, ‘সুমাইয়া জাফরিন’ নামে কোনো ব্যক্তি বর্তমানে বা পূর্বে বাংলাদেশ পুলিশে কোনো পদে কর্মরত ছিলেন না। এ ধরনের তথ্য ভুয়া বিভ্রান্তিকর।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, আওয়ামী লীগের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ ইস্যুতে মেজর সাদিক নামের এক সেনা কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে।
তার স্ত্রী, যিনি ‘এএসপি সুমাইয়া জাফরিন’ হিসেবে পরিচিত, তিনিও সেই প্রশিক্ষণে জড়িত ছিলেন।
এই দাবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু অনলাইন সংবাদমাধ্যম তা পুনঃপ্রকাশ করে। এতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় জনমনে।
পুলিশ সদর দপ্তর স্পষ্ট করে বলেছে,
“জনগণকে অনুরোধ করা হচ্ছে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া তথ্যে বিশ্বাস না করতে এবং দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে।”
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, সংবেদনশীল ইস্যুতে ভুয়া তথ্য ছড়ানো কতটা বিপজ্জনক।
নিরাপত্তা বাহিনী ও সংবিধান রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়ানো হতে পারে।
তবে পুলিশের দ্রুত প্রতিবাদ ও তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
পাঠকের জন্য পরামর্শ:
- তথ্য যাচাই না করে শেয়ার করবেন না
- শুধুমাত্র বিশ্বাসযোগ্য ও প্রামাণ্য সূত্র থেকে সংবাদ গ্রহণ করুন
- পুলিশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে নজর রাখুন
