বিদেশিদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জেড.আই. খান পান্না। বললেন, ‘সংবিধানে হাত দিলে হাত কেটে ফেলা হবে।’ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ এই আইনজীবীর বক্তব্য দেশপ্রেমিক মহলে ব্যাপক প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করেছে।
“সংবিধানে হাত দিলে হাত কেটে ফেলা হবে।” এই দৃপ্ত উচ্চারণে বিদেশি শক্তি ও দেশের অভ্যন্তরে সংবিধানবিরোধী চক্রান্তকারীদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জেড.আই. খান পান্না। সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, “এই দেশের সংবিধান রক্তে লেখা। এখানে কোনো বিদেশি নাগরিক, কোনো জাতিসংঘ প্রতিনিধি, কোনো তথাকথিত ‘মানবাধিকার’ সংগঠন কিংবা কথিত বিশেষজ্ঞের হস্তক্ষেপ আমরা মানব না। যদি কেউ হাত দেয়, দেশপ্রেমিক জনগণ তাদের হাত কেটে ফেলবে। বাংলাদেশ নিজের নিয়মে চলবে—কোনো বিদেশির ইশারায় নয়।”
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে দাঁড়ানো এক কণ্ঠস্বর:
পান্না একজন সুপরিচিত আইনজীবী, যিনি শুধু পেশাগত পরিচয়েই নয়, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বরাবরই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সংবিধান রক্ষার পক্ষে সোচ্চার। তার এই বক্তব্যে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে সেই চেতনা, যে চেতনায় বাংলাদেশের জন্ম।
তিনি বলেন, “আমরা এই সংবিধান পেয়েছি লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে। এর প্রতিটি অনুচ্ছেদ আমাদের অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি।
এটি কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না—চাই সে দেশি হোক বা বিদেশি।”
বিদেশিদের হস্তক্ষেপ নিয়ে কঠোর অবস্থান:
গত এক বছরে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একাধিক বিদেশি হস্তক্ষেপ ও ‘মন্তব্য’ জনমনে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
দেশের বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগে ক্ষুব্ধ দেশের মুক্তিযোদ্ধা মহল এবং জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলো।
পান্নার মন্তব্য সেই ক্ষোভেরই সপ্রতিভ বহিঃপ্রকাশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বক্তব্য ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে।
বহু তরুণ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক তার এ বক্তব্যকে দেশপ্রেমিকদের ঘুম ভাঙানো আহ্বান হিসেবে দেখছেন।
বাংলাদেশের সংবিধান শুধুই একটি আইনি দলিল নয়, এটি এক জাতির আত্মপরিচয়ের দলিল।
এটি নিয়ে বিদেশি চাপ বা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রকারীদের খেলায় লিপ্ত হওয়া মানে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড।
বীর মুক্তিযোদ্ধা পান্নার হুঁশিয়ারি ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে শক্ত প্রতিরোধ গড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
“দেশ রক্ষা করতে হলে সংবিধান রক্ষা করতে হবে”—এই বার্তা আজ আবার নতুন করে উচ্চারিত হলো জেড.আই. খান পান্নার কণ্ঠে।
সময় এসেছে, যখন জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—রাষ্ট্রের মালিক কি তারা, নাকি বিদেশি শক্তি?
