নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে, যেখানে সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে হত্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। আদালতে শুনানি শেষে তাঁদের তিন দিনের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ইনুর আইনজীবী দাবি করেছেন যে, ইনু কোটাবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে ছিলেন না এবং সরকারি চাকরিতে কোটার বিলোপ চেয়েছিলেন। তবে পিপি ওমর ফারুক ফারুকী তাঁদের শেখ হাসিনার অন্যতম সহযোগী হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁদের রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন।
শুনানির পরে ইনুকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় এক সাংবাদিক তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, “আপনার আইনজীবী বলেছেন, আপনি কোটা আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন? আপনার বক্তব্য কী?” ইনু হাসতে হাসতে বলেন, “যে লাউ, সেই কদু।” সাংবাদিক পাল্টা প্রশ্ন করেন, “আপনি লাউ নাকি কদুর পক্ষে?” ইনু আবার হাসতে হাসতে বলেন, “আমি লাউ-কদু দুটিরই বিপক্ষে।”
এই ঘটনায় সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ এবং ফারজানা রুপাকেও আদালতে হাজির করা হয়েছিল, এবং তাঁদের পাঁচ দিনের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল।
