নিজস্ব প্রতিবেদক

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবিতে চিকিৎসাকেন্দ্রের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ এবং গতকালের সংঘর্ষের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।
শিক্ষার্থীদের একজন নেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সিয়াম বলেছেন, “আমাদের মূল দাবি হচ্ছে যাঁরা ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করেছিলেন, তাঁদের বহিষ্কার করতে হবে। ভিসি স্যারকে পদত্যাগ করতে হবে। উনি আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।”
গতকাল দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ছাত্রদল এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। এই সংঘর্ষে শতাধিক ছাত্র আহত হয়েছেন। গতকাল রাতে ক্যাম্পাসের মেডিকেল সেন্টারে একটি সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়।
এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে:
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবে না এবং তা করলে আজীবন বহিষ্কারের বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি করা হবে।
গতকালের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা, বহিষ্কারসহ ব্যবস্থা নেওয়া।
২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্যাম্পাসের বাইরে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের রাখা।
আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয় প্রশাসন থেকে বহন করা।
ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে উপাচার্য, সহ-উপাচার্য এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের পদত্যাগ।
সকাল থেকেই কুয়েটের পরিবেশ কিছুটা থমথমে, তবে কুয়েটের বাইরের দোকানপাট খুলেছে। প্রধান ফটকের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন এবং সেনাবাহিনীকে টহল দিতে দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ হল ছাড়ছেন।
