নিজস্ব প্রতিবেদক

ইমরান হোসেন, সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান,কে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত। এর আগে মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করার আবেদন করেছিল। অপরদিকে, আসামিপক্ষ থেকে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়, যা আদালত নাকচ করেছে।
মামলায় অভিযোগ আছে যে, সাদিক অ্যাগ্রো সংঘবদ্ধ চোরাচালান ও জালিয়াতির মাধ্যমে অনুমোদনহীন গরু আমদানি করেছে এবং টেকনাফ, উখিয়া ও কক্সবাজার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে গরু ও মহিষ আমদানি করেছে। এছাড়াও, ছোট আকৃতির ভুট্টি গরু আমদানি করে তা বিক্রি করা হয়েছে।
প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটার ওমর ফারুক ফারুকী আদালতে জানান যে, ইমরান হোসেন চোরাচালান ও প্রতারণার মাধ্যমে বিদেশ থেকে গরু-ছাগল আমদানি করে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করেছেন। তবে, আসামির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাঁর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন।
গতকাল রাজধানী থেকে ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। গত বছর কোরবানির ঈদে ইমরানের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় ‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কেনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হন তৎকালীন এনবিআর সদস্য মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে ইফাত।
