জনতার রোষে থানায় অবস্থান: যুবলীগ নেতা মতিউর রহমানের মুক্তির দাবিতে উত্তাল হোসেনগাঁও
“ঠাকুরগাঁওয়ে যুবলীগ নেতা মতিউর রহমান গ্রেফতার-কে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে হাজারো জনতা থানায় অবস্থান নেয়। জনতার ভালোবাসাই দখলদার সরকারের পরাজয়ের বার্তা।”
ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতিকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মা*মলায় গ্রেফতার করার প্রতিবাদে থানায় অবস্থান নেন হাজার হাজার জনতা।
নেতার মুক্তির দাবিতে জনতার এমন স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি আবারও দেখিয়ে দিল, আদর্শিক নেতৃত্বকে মিথ্যা মামলা দিয়ে দাবিয়ে রাখা যায় না।
স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, এটি একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র। মতিউর রহমানের জনপ্রিয়তা এবং জনসেবামূলক ভূমিকা সরকারবিরোধী মহলের গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই গ্রেফতারের মাধ্যমে জনগণের কণ্ঠ রোধ করার ব্যর্থ চেষ্টা করছে অবৈধ সরকার।
জনতার মুখে ছিল প্রতিবাদের স্লোগান—
“যতবারই হত্যা করো জন্মাবো আবার!”
এই স্লোগান যেন প্রতিধ্বনিত করে দিল জনগণের সংগ্রামী চেতনা।
বিক্ষুব্ধ জনতা বলেন, “এই ভালোবাসা প্রমাণ করে অবৈধ সরকার কীভাবে মিথ্যা-বানোয়াট মামলা দিয়ে আদর্শিক নেতাকর্মীদের দমন করতে চাইছে। কিন্তু এইসব ভালোবাসা মিছে নয়। দখলদার বাহিনীর পরাজয় সুনিশ্চিত।”
রাজবন্দীদের মুক্তির দাবি
বিক্ষোভকারীরা শুধু মতিউর রহমান নয়, বরং দেশের সকল রাজবন্দীর মুক্তি দাবি করেন। তাদের বক্তব্য,
“গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আপোষহীন সংগ্রামে দখ*লদার বাহিনীর হাতে অন্যায়ভাবে গ্রেফতারকৃত সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তি চাই।”
জনতার বার্তা স্পষ্ট: “দাবায়ে রাখতে পারবা না!”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জনগণের এমন প্রতিরোধ ও একাত্মতা এটাই প্রমাণ করে যে, দেশের মানুষ এখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার। যতই জেল-জুলুম বা মিথ্যা মামলা করা হোক না কেন, জনতার জাগরণকে আর থামিয়ে রাখা সম্ভব না।
