Source: https://x.com/albd1971/status/1912256604692431344
১০ এপ্রিল, রাজশাহীতে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী—যাদের নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা—আওয়ামী লীগের সাবেক ছাত্রনেতা মাহমুদ হাসান রাজীবের পরিবারের বাড়িতে হামলা চালায়। রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজীব তখন বাসায় ছিলেন না। সুযোগ নিয়ে তাঁর দুই ভাইকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
পরদিন, সেই একই সন্ত্রাসী চক্র রাজীবের বন্ধু নাঈমুলকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। পুলিশ কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো রকম প্রতিরোধ বা নিরাপত্তা না থাকায় সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
১১ এপ্রিল, তারা আবারও হামলা চালায় আওয়ামী লীগ কর্মী মোহাম্মদ মার্শাল-এর উপর। মার্শালকে হত্যা করতে চাইলেও স্থানীয় জনগণের প্রতিরোধের কারণে তারা ব্যর্থ হয়।
রাজশাহী বিএনপির যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাদের নেতৃত্বে এই হামলাগুলো পরিচালিত হয়। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- শফিক মাহমুদ তন্ময়
- ফয়সাল সরকার দিকো
- আশিকুল আলম জিবন
- নজমুস সাকিব
- ছাত্রদল নেতা ইমদাদুল হক মিলন (@bdbnp78)
এই ভয়াবহ হামলাগুলোর পরও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো হামলার শিকার কয়েকজন আওয়ামী লীগকর্মীকেই গ্রেফতার করে।
এই ঘটনাগুলো স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দেয়, কিভাবে ইউনুসের নেতৃত্বে বর্তমান শাসনব্যবস্থায় বিএনপি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একজোট হয়ে আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের ওপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ভিত্তিতে নিধনযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে।
