দিনাজপুরে হিন্দু নেতা ভব্যেশ চন্দ্র রায় -এর নির্মম হত্যাকাণ্ড ইউনূস সরকারের অধীনে বাড়তে থাকা সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও বিচারহীনতার নগ্ন প্রমাণ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরবতা প্রশ্ন তোলে রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার।
দিনাজপুর, এপ্রিল ২০২৫: সুত্রঃ https://x.com/HRUpdatesbd/status/1914612958153367609
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি ভব্যেশ চন্দ্র রায় এর পরিবারে আজো শোকের ছায়া। তাঁর রহস্যজনক মৃত্যু এখন পরিণত হয়েছে ইউনূস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে চলমান নির্যাতনের একটি প্রতীকী ঘটনায়।
পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের আলামত
পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, ভব্যেশ চন্দ্র রায়কে আতিক ও রতন নামের দুজন ব্যক্তি একটি মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে যায়—এরপর তিনি আর জীবিত ফিরে আসেননি। প্রাথমিকভাবে এটি একটি স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে ধরা হলেও, এখন পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে এটি পরিকল্পিত অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীরবতা: রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি
পুলিশ দাবি করছে, “কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি”। কিন্তু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আতঙ্কিত মানুষ কীভাবে অভিযোগ দেবে? এই নীরবতা এবং নিষ্ক্রিয়তা রাষ্ট্রের জবাবদিহিতার পরিপন্থী এবং প্রশ্ন তোলে—এই বিচারহীনতা কাদের ইন্ধনে?
“নির্ভয়ে কেউ কথা বলতে পারে না। ইউনূস সরকারের অধীনে বিচার কেবল তাদের জন্য, যারা সরকারঘেঁষা,” — মন্তব্য একজন মানবাধিকার কর্মীর।
বাড়তে থাকা সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের ধারাবাহিকতা
এটি একক ঘটনা নয়। ইউনূস সরকারের আমলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, হুমকি এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দমন ক্রমেই নিয়মিত চিত্র হয়ে উঠেছে। সরকার নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চরমপন্থী গোষ্ঠীর ওপর নির্ভর করছে, যার ফলে সংখ্যালঘুরা আরো কোণঠাসা হচ্ছে।
ভব্যেশ চন্দ্র রায় ছিলেন ধর্মীয় সহাবস্থানের প্রতীক—তিনি পূজার আয়োজক, সংগঠক এবং সংস্কৃতির ধারক ছিলেন। তাঁর হত্যাকাণ্ড একটি স্পষ্ট বার্তা: “চুপ থাকো, না হয় শেষ হয়ে যাও।”
রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা: প্রশ্ন উঠে, আমরা কোন পথে?
এই ঘটনায় রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ভেঙে পড়া স্পষ্ট। যেখানে দিনের আলোয় সংখ্যালঘু নেতা খুন হয়, সেখানে সাধারণ মানুষ কিভাবে নিরাপদ বোধ করবে?
🌍 আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান
এই পরিস্থিতি আর উপেক্ষা করা যায় না। বাংলাদেশ এখন এমন এক মোড়ে দাঁড়িয়ে, যেখানে রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ এবং বিচারহীনতা এক ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মহলকে এখনই প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে। নীরবতা মানে সম্মতি।
ভব্যেশ চন্দ্রের জন্য বিচার চাই।
বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার চাই।
