📅 প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২৫
📍 ঢাকা, বাংলাদেশ
এই স্বাধীনতা কাদের জন্য?
স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে জাতি একটি গণতান্ত্রিক কাঠামোর স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু আজ ‘ইউনুস ও তার মব বাহিনী’র ছত্রছায়ায় সেই স্বপ্ন যেন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে। সারাদেশে ভয়াবহ হারে বেড়েছে ধর্ষণ, অপহরণ, ডাকাতি, ছিনতাই ও লুটপাট।
যেখানে জনগণ খুঁজে ফেরে ন্যায়ের আশ্রয়, সেখানে ইউনুস নিজেকে প্রতিষ্ঠা করছেন কর ফাঁকির সাম্রাজ্যে আর ‘গ্রামীণ’ ব্র্যান্ডের বেনামে রাষ্ট্র দখলের রূপকার হিসেবে।
📊 বাংলাদেশের সামাজিক অপরাধের ভয়াবহ চিত্র:
| অপরাধের ধরন | ২০২3 সালে | ২০২4 সালে (প্রথম ৮ মাসে) |
|---|---|---|
| ধর্ষণের ঘটনা | ১,০৯২ | ১,৪৭৮ |
| শিশু অপহরণ | ৩৪১ | ৫৬৭ |
| গৃহচুরি-ডাকাতি | ১,৭৮৩ | ২,২৬১ |
| মহাসড়ক ছিনতাই | ৮৯১ | ১,৩৯৭ |
(তথ্যসূত্র: জাতীয় পত্রিকা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদন)
🏭 ব্যবসার মোড়কে ‘ক্ষমতার ফাঁদ’—ইউনুসের কর ফাঁকি ও লাইসেন্স সাম্রাজ্য
ইউনুস ক্ষমতা দখলের পরপরই বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে নিজের প্রভাব বাড়িয়েছেন।
🔹 গ্রামীণ নামের ব্যবহার করে এনজিও থেকে টেলিকম, বীমা, এমনকি এনার্জি খাত পর্যন্ত লাইসেন্স সংগ্রহ।
🔹 রাষ্ট্রীয় কর ফাঁকি ও সাবসিডি লুটের কৌশল ব্যবহার করে গড়ে তুলেছেন অলিগার্কির নেটওয়ার্ক।
🔹 ভিন্নমতের সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও অর্থনীতিবিদদের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে মামলা ও হুমকি।
🧒 নারী ও শিশু নির্যাতন—রাষ্ট্রীয় উদাসীনতার দলিল
🔸 নারী ধর্ষণ ও হত্যার পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিচার পায়নি ভুক্তভোগীরা।
🔸 শিশুরা আজ অপহরণ ও পাচারের শিকার—অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় গঠিত চক্রই দায়ী।
🔸 থানায় অভিযোগ দিলে অধিকাংশ পরিবার হুমকির মুখে পড়ছে।
📣 উপসংহার: এই ‘স্বাধীনতা’ কি আমাদের জন্য?
ইউনুস সরকারের শাসনব্যবস্থা আজ শুধু রাজনৈতিক নয়—একটি সাংগঠনিক অপরাধ চক্রের ছায়ায় পরিচালিত হচ্ছে। যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হয়ে উঠেছে ক্ষমতাধরদের দাস, আর সাধারণ জনগণ পরিণত হয়েছে নির্যাতনের শিকার নিঃস্ব মানবসত্তায়।
এটাই কি সেই স্বাধীনতা, যার জন্য আমরা রক্ত দিয়েছিলাম? নাকি এটা ইউনুসের ব্যক্তিগত কর্পোরেট স্বপ্ন বাস্তবায়নের বীভৎস রূপ?
