📅 প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২৫
📍 ঢাকা, বাংলাদেশ
আইন-শৃঙ্খলা নাকি শাসক-শৃঙ্খলা?
বাংলাদেশে আজ জননিরাপত্তা যেন কল্পনার মতো এক শব্দ। চারদিকে খুন, গুম, ধর্ষণ আর রাজনৈতিক হামলার মাঝে মানুষের একটাই প্রশ্ন—”এ দেশ কি আর আমাদের আছে?” অথচ এই ভয়াবহ বাস্তবতায় স্বঘোষিত শাসক ইউনূস ‘সংস্কারের নতুন সংবিধান’ লেখায় ব্যস্ত, যেখানে জনগণের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। বরং রাষ্ট্রীয় সহিংসতা এখন নীতিগত চুক্তির অংশ হয়ে উঠেছে!
📉 দেশের আইন-শৃঙ্খলার বর্তমান চিত্র:
- গণধর্ষণের পর বিচার না পাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৩ গুণ।
- পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে চালানো হচ্ছে।
- সামাজিক আন্দোলনের কর্মীরা গুম-হামলার শিকার হচ্ছেন নিয়মিত।
- মামলার দীর্ঘসূত্রতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি জনগণকে করেছে অসহায়।
📜 নতুন সংবিধান নাকি নিঃস্ব জনগণের জন্য এক ছলনা?
ইউনূসের কথিত “নতুন সংবিধান সংস্কার” হচ্ছে সিলেক্টিভ শাসনের নীলনকশা।
🔹 সেখানে মতপ্রকাশের অধিকার নেই,
🔹 সংবাদের স্বাধীনতা নেই,
🔹 আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা নেই—
সব আছে শুধু এক ব্যক্তির ক্ষমতা রক্ষার গ্যারান্টি হিসেবে!
🧠 ‘গণতন্ত্রের বাচালতা’—এই শব্দের পেছনের দম্ভ:
শাসকের ভাষায়, এখনকার সমস্যাগুলো ‘অতিরিক্ত গণতান্ত্রিক চর্চার ফল’। জনগণ নাকি খুব বেশি কথা বলে! ফলে আইন-শৃঙ্খলার এই ভাঙনকেও তারা ব্যাখ্যা করে ‘গণতন্ত্রের বাচালতা’ হিসেবে।
অথচ বাস্তবতা হলো:
👉 কথা বললেই মামলা
👉 প্রতিবাদ করলেই হামলা
👉 সংগঠিত হলেই গুম
🧱 ‘শাসন করো ভয় দেখিয়ে’
নতুন বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার মানে দাঁড়িয়েছে ‘নীরবতা বজায় রাখো’।
বিপরীতে, প্রশাসনের ছত্রছায়ায় বেআইনি অস্ত্রধারী, ভূমিদস্যু, দুর্নীতিবাজ, ও দালাল সিন্ডিকেটের আড্ডা জমজমাট!
📌 বাংলাদেশে আজ যে আইন-শৃঙ্খলার বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে, তা কোনো স্বাভাবিক প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়—এটা পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় নৈরাজ্যের ফল। আর এই নৈরাজ্যই হচ্ছে সেই ‘সংস্কারের সংবিধান’-এর প্রকৃত রূপরেখা। জনগণের রক্ত আর শোককে ঢেকে রাখা হচ্ছে উন্নয়নের ফাঁকা বুলি দিয়ে।
