ড. ইউনূস জনগণের পকেট সংস্কারের কাজে ব্যস্ত, আর ছিনতাইকারীরা সরাসরি পকেট সারাতে। দুই দিক থেকেই সাধারণ মানুষ বিপাকে। বিশ্লেষণে দেখুন কেন জনগণের পকেটই এখন সবার লক্ষ্য।
মূল প্রতিবেদন: ঢাকা, এপ্রিল ২৬:
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে আজকাল ‘পকেট’ যেন হয়ে উঠেছে রাজনীতি ও অপরাধের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। একদিকে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস নানান ‘সামাজিক ব্যবসা’ প্রকল্পের নামে জনগণের পকেটে হাত দিতে চাইছেন—‘পকেট সংস্কার’ এর মহৎ উদ্দেশ্যে। অন্যদিকে, রাজধানীর রাস্তায় ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া, যারা সরাসরি হাত বাড়াচ্ছে সেই একই পকেটে—কিন্তু একটু কম শালীনভাবে।
পকেট সংস্কার বনাম পকেট সারাই:
ড. ইউনূসের নতুন উদ্যোগগুলোতে সাধারণ মানুষের অর্থ বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হচ্ছে। ব্র্যান্ডিং হচ্ছে ‘সোশ্যাল বিজনেস’, কিন্তু সাধারণ মানুষের ধারণা, এটা যেন আরেক রূপের এনজিও জগৎ। অন্যদিকে, ছিনতাইকারীরা আর আগের মতো হালকা চুরি নিয়ে বসে নেই। এখন তারা স্মার্ট, মোটরসাইকেলচালিত এবং দলবদ্ধ। তারা পকেট সোজাসুজি সারিয়ে দিচ্ছে—নগদ, মোবাইল, এমনকি ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ খুলে গচ্ছিত অর্থ তুলে নিচ্ছে।
সাধারণ জনগণের দুশ্চিন্তা:
রাজপথ থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত পকেট নিয়ে চিন্তা সমানতালে চলছে। প্রশ্ন উঠছে—পকেট যদি হয় জাতীয় সম্পদ, তবে তা রক্ষা করার দায়িত্ব কার? আর যদি পকেট হয় দুর্নীতির ‘ইজি টার্গেট’, তাহলে জনগণের কর পরিশোধ করার দায় কতটুকু যৌক্তিক?
বিশেষজ্ঞের মতামত:
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, “একদিকে বিনিয়োগের নামে মানুষের অর্থ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে, আরেকদিকে নিরাপত্তার অভাবে সেই অর্থ রাস্তায়ই চলে যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন আতঙ্কে—কাকে বিশ্বাস করবে?”
শেষ কথা:
‘পকেট’ এখন জাতীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে। একদিকে সংস্কারের নামে বুদ্ধিজীবী দখল, অন্যদিকে ছিনতাইয়ের মাধ্যমে অপরাধ জগতের আধিপত্য—দুই দিকেই ক্ষতিগ্রস্ত সেই সাধারণ জনগণ, যার পকেটটাই হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে অনিরাপদ স্থান।
