বাংলাদেশের কোটা ব্যবস্থাকে মেধা হত্যার হাতিয়ার বানিয়ে মৌলবাদী-জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর পুনর্বাসন চলছে। রাষ্ট্র দখলের এই ষড়যন্ত্র থামাতে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে।
ঢাকা, ২৬ এপ্রিল:
বাংলাদেশের কোটা ব্যবস্থা এখন মেধাবীদের জন্য নয়, বরং রাষ্ট্রযন্ত্র দখলের ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়োগ, পদোন্নতি এবং বিসিএসে কোটা ব্যবস্থার নামে আজ মেধা হত্যার পাশাপাশি মৌলবাদী-জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীগুলোর পুনর্বাসন চলছে।
যারা একসময় “কোটা বিরোধী আন্দোলন” করেছিল, আজ তারাই নিজেদের লোক বসানোর পাশাপাশি স্বাধীনতাবিরোধী, মৌলবাদী এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে জড়িত গোষ্ঠীগুলোকেও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, ব্যাংকিং খাত, এমনকি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় পর্যন্ত চলছে এদের অনুপ্রবেশ।
ফলে মেধাবী তরুণেরা একদিকে যেমন বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজ মারাত্মক হুমকির মুখে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে বাংলাদেশ একদিন দুর্নীতিবাজ, জঙ্গিবাদে আক্রান্ত ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
কোটা ব্যবস্থাকে বিকৃত করে আজ মেধার শত্রু মৌলবাদের বিষবৃক্ষ রোপণ করা হচ্ছে।
এখন সময় এসেছে রুখে দাঁড়াবার—মেধার পক্ষে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে এবং দেশের অস্তিত্ব রক্ষার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা:
“কোটার নামে চলছে বৈষম্য নয়, বরং জাতির ভবিষ্যত ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্র। এখনই প্রতিরোধ জরুরি!”
quota-bias-state-capture-bangladesh
