বাংলাদেশ আজ এমন এক ভয়ানক পথে হাঁটছে, যার শেষ প্রান্তে রয়েছে জাতীয় নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক ধ্বংস এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা। সরকারের পররাষ্ট্রনীতিতে নেই কোনো কৌশলগত দূরদর্শিতা; বরং আছে হঠকারিতা, ক্ষমতালিপ্সা এবং জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মঘাতী জুয়া খেলার মানসিকতা।
বিদেশি বিদ্রোহীদের পক্ষে অবস্থান : কূটনৈতিক আত্মহত্যা?
চীন, ভারত ও থাইল্যান্ডের মতো পরাশক্তি যেখানে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে, সেখানে বাংলাদেশের সরকার এই বিদ্রোহীদের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে একটি অনিশ্চিত যুদ্ধ ও অশান্তির সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলছে। পররাষ্ট্রনীতিতে এ ধরনের অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক নীতিমালার পরিপন্থী।
কক্সবাজারের ঝুঁকি : ধ্বংসের পথে পর্যটন ও বিনিয়োগ
সরকারের এই ভুল সিদ্ধান্তে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প ভয়াবহ হুমকির মুখে। যেখানে লক্ষাধিক মানুষের জীবিকা এবং হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে, সেখানে যদি অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে, রক্ত ঝরে—তার দায় কে নেবে?
জনগণের প্রশ্ন : কার স্বার্থে এই আত্মঘাতী পদক্ষেপ?
বিশ কোটি মানুষের ভাগ্য নিয়ে সরকারের এ ধরনের আচরণ প্রশ্নবিদ্ধ। জনগণের চোখে এটি একটি বিশ্বাসঘাতকতা। রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য একটি দেশের ভবিষ্যৎকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া যায় না।
এখনই সময় সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের
যদি এখনই এই আত্মঘাতী কূটনৈতিক পদক্ষেপ থেকে সরকার সরে না আসে, তাহলে ইতিহাসে তারা চিহ্নিত হবে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা নেতৃত্ব হিসেবে। দেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়—জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই হবে।
