সম্প্রতি কক্সবাজার ও বান্দরবান সংলগ্ন সীমান্ত অঞ্চলে আরাকান আর্মির দফায় দফায় হামলা, হুমকি ও অপহরণের ঘটনা বাড়ছে। এর ফলে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া বাংলাদেশি জেলেরা পড়েছেন চরম নিরাপত্তাহীনতায়।
জেলেরা জানান, তারা প্রতিনিয়ত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের মুখোমুখি হচ্ছেন, যারা নিজেদের আরাকান আর্মির সদস্য পরিচয় দিয়ে মুক্তিপণ দাবি করছে। কেউ কেউ অপহৃত হয়ে ফেরত আসলেও, অনেকেই এখনো নিখোঁজ।
প্রশাসনের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ
এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয় প্রশাসন ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী কার্যত নিশ্চুপ, এমনকি অভিযোগ করেও মিলছে না পর্যাপ্ত সুরক্ষা।
নিরাপত্তা বাহিনী কখনো দাবি করছে, “ঘটনাটি মিয়ানমারের ভেতরে ঘটেছে”, আবার কখনো বলছে “তদন্ত চলছে।” কিন্তু বিগত কয়েক মাসে একের পর এক অপহরণ ও সন্ত্রাসী তৎপরতা এ অঞ্চলের মানুষকে আতঙ্কিত করে তুলেছে।
স্থানীয় জনজীবন বিপর্যস্ত
সীমান্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে জেলে পরিবারগুলো চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে শিশু, রাতে বাড়ির বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছে পুরুষরাও। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকায় হতাশ।
✅ উপসংহার:
আরাকান আর্মির দৌরাত্ম্য যদি এভাবে চলতে থাকে এবং প্রশাসন যদি নির্বিকার থাকে, তাহলে দেশের সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা চরমভাবে হুমকির মুখে পড়বে। এখনই প্রয়োজন আন্তঃবাহিনী সমন্বয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থানীয় জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া।
