✍️ জি. ইসলাম
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আরেকটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের নাম হয়ে উঠেছে এনসিপি (ন্যাশনাল কনসালটেশন পার্টি)। যে দলটি একসময় আদর্শের কথা বলেছিল, তা এখন পরিণত হয়েছে এক নির্লজ্জ পদবিনিময়ের হাটে। দলটির জেলা, উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ পদ আজ নিলামে উঠেছে টাকার বিনিময়ে। রাজনীতি নয়, এখন যেন চলছে এক রীতিমতো ব্যবসা।
বিশ্বস্ত সূত্র বলছে,
- জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের দাম ৫ লাখ টাকা,
- উপজেলা পর্যায়ের পদ ২ লাখ টাকা,
- ঢাকা মহানগর কমিটির পদ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত,
- ওয়ার্ড পর্যায়েও পদ যাচ্ছে ১০ লাখ টাকায়!
এই পদ কিনে যারা দলে ঢুকছেন, তারা আসলে চাঁদাবাজি, তদবীর ও দালালি করার লাইসেন্স নিচ্ছেন। এনসিপি নেতা হলেই শুরু হয় মামলা-মোকদ্দমায় তদবীর, ঠিকাদারিতে ভাগ বসানো, ও সরকারি বরাদ্দে ঘুষ বাণিজ্য।
এনসিপির বর্তমান অবস্থা এমন যে—
- পুলিশি তদবীরের দরদাম,
- প্রকল্পে কমিশন ভাগাভাগি,
- ভূমি অফিসে সরকারি জমি দখলে সহায়তা,
- এমনকি কারো ‘সাফাই সার্টিফিকেট’ দেওয়ার জন্যও মূল্য নির্ধারিত।
এই দল আর রাজনৈতিক নয়, বরং একটি সুসংগঠিত চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে। পদ-পদবি এখন আদর্শের নয়, বরং পয়সার মাপকাঠিতে বিক্রি হয়। এতে রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি গণতন্ত্র ও আইনের শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মারাত্মকভাবে।
একটি দলে যদি পদ বিক্রির বাজার হয়, তাহলে সেই দল কেবলমাত্র অসাধু ব্যবসায়ী ও সুবিধাবাদীদের আস্তানা। এনসিপির মতো দালাল-নির্ভর দলগুলো বাংলাদেশের রাজনীতিকে কলঙ্কিত করছে প্রতিনিয়ত।
👉 প্রশ্ন করুন, প্রতিবাদ করুন, প্রতিরোধ করুন। কারণ রাজনীতি একটি পবিত্র দায়িত্ব, ব্যবসা নয়।
এখনই সময়, দালালি ও দুর্নীতির এই রাজনীতি থেকে দেশকে রক্ষা করার।
