ঢাকা কলেজের হলপাড়া এখন উত্তাল, ফুঁসে উঠেছে ক্যাম্পাসের সচেতন ছাত্রসমাজ। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নিরপেক্ষতার নামে চলা শিবিরপন্থী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুলেছে সক্রিয় ছাত্রসংগঠনগুলো (যদিও ছাত্রলীগ এখনো নীরব)। অভিযোগ উঠেছে—এই সাংবাদিক সমিতি আসলে এক রকমের গোপন রাজনৈতিক ঘাঁটিতে রূপ নিয়েছে, যেখানে নেই কোনো স্বচ্ছতা, নেই গণতন্ত্র।
ছাত্রদের অভিযোগ, এখানে সাংবাদিকতা নেই—আছে ‘হিজ মাস্টারস ভয়েস’। নির্বাচন নেই—আছে সাজানো তালিকা, ভাইয়ের নির্দেশ, আর ভয়ভীতির রাজত্ব। ছাত্রদের জায়গায় তৈরি হয়েছে ক্রীড়ানক, যাদের কণ্ঠ কেড়ে নিয়েছে ভয় ও চক্রান্ত।
সাবেক জিএস তালহার সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে উঠে এসেছে কিছু গভীর রাজনৈতিক সত্য—তাদের কার্যক্রম চলে গোপন শপথ, ক্লাব ও সংগঠন দখল, এবং ছাত্রদের ভবিষ্যৎ জিম্মি করে রাখার এক বিপজ্জনক মেকানিজমের মাধ্যমে।
ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতিকে ঘিরে তিনটি প্রধান অভিযোগ:
- শিবিরপন্থীদের গোপন রাজনীতির ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার
- ক্যাডার ঢোকানোর জন্য সংগঠনের অপব্যবহার
- স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়া না রেখে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পুতুল বসানো
এখানে মুখে ধর্ম, কিন্তু পকেটে ছুরি—এমনই এক ছদ্মবেশী চিত্র উঠে আসছে। যারা বন্ধু সেজে আসে, কিন্তু তাদের চোখে ঘৃণা আর মুখে হিংসা।
ছাত্রদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে রাখার এই অপচেষ্টা এখন আর চাপা থাকছে না। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও সচেতন ছাত্র সমাজ এখনই দাবি জানাচ্ছে—এই গোপন সিন্ডিকেট ভেঙে ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতিকে গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও সত্যিকার সাংবাদিকতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পুনর্গঠন করতে হবে।
