সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে এক নতুন আলোচিত চরিত্র হয়ে উঠেছেন ইউনুস সওদাগর। অভিযোগ উঠেছে, তিনি তার দখলদার বাহিনী গঠন করেছেন আমেরিকা ও পশ্চিমা দেশ থেকে আনা বিদেশি নাগরিকদের মাধ্যমে। এই বিদেশি নাগরিকেরা প্রশাসন, নীতিনির্ধারণ এবং নজরদারি সংক্রান্ত বিভিন্ন সংবেদনশীল জায়গায় নিযুক্ত হচ্ছেন, যা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিদেশি নিয়োগের পেছনে রয়েছে দুইটি প্রধান কৌশলগত উদ্দেশ্য:
- আমেরিকান স্বার্থ রক্ষা: ইউনুস নিজেও একজন মার্কিন নাগরিক। তাই নিজের প্রশাসন ও সিদ্ধান্তে মার্কিন নাগরিকদের রাখা যেন একটি বার্তা—”আমি তোমাদেরই মাধ্যমে দেশ চালাচ্ছি”, যার ফলে পশ্চিমা শক্তিগুলো তার প্রতি নমনীয় থাকে।
- নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়ন: ইউনুস দেশি নাগরিকদের ওপর আস্থা না রেখে নিজের ‘বিশ্বস্ত’ বিদেশি লোকদের দিয়েই কৌশলগত পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এতে তাদের বাংলাদেশের প্রতি একক আনুগত্যের অভাব থাকলেও তার ব্যক্তিগত এজেন্ডা সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।
গত ৯ মাসে ইউনুস পরিচালিত বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ যেমন অর্থনীতি সংকুচিতকরণ, জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান দুর্বল করা এবং বিচারবিভাগের নিরপেক্ষতা হ্রাস, এসব অভিযোগের সত্যতা প্রমাণে আরও দৃঢ়তা যোগ করেছে।
এমন একটি পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজ উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে—বাংলাদেশ কি ধীরে ধীরে একটি পঙ্গু, আজ্ঞাবহ রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে?
এখনই প্রয়োজন স্বচ্ছ তদন্ত, রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা এবং জাতীয় স্বার্থে দৃঢ় অবস্থান।
