নারায়ণগঞ্জে সেলিনা হায়াৎ আইভির সমর্থনে রাস্তায় নেমেছে ৩০-৪০ হাজার মানুষ। এই অভূতপূর্ব জমায়েত রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে কিনা, বিশ্লেষণ এই প্রতিবেদনে।
প্রকাশিত তারিখ: 10 May, 2025;
নারায়ণগঞ্জ যেন আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক হৃদস্পন্দন হয়ে উঠেছে। শহরের প্রধান সড়কজুড়ে দেখা গেছে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষের ঢল—তাদের একটাই দাবি, সেলিনা হায়াৎ আইভীর নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এই সমাবেশ শুধু আইভির সমর্থনে নয়, এটি একটি নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাড়া দেওয়া জনগণের আওয়াজ।

রাষ্ট্র বনাম জনগণ?
সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের উপস্থিতি, নিরাপত্তা বলয়ের অজুহাতে গণতান্ত্রিক অবস্থান দমন করার চেষ্টা, সবকিছুই এই আন্দোলনে ঘৃতাহুতি দিয়েছে। অনেকের প্রশ্ন—জনগণের রাস্তায় নেমে আসা কি রাষ্ট্রের ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি?
আইভী : একজন নেত্রী নাকি এক প্রতিরোধের প্রতীক?
সেলিনা হায়াৎ আইভী আজ আর শুধু একজন মেয়র বা রাজনীতিক নন—তিনি হয়ে উঠেছেন এক প্রজন্মের প্রতীক। যিনি দলীয় প্রভাব বা সুবিধাবাদে নয়, মানুষের আস্থায় জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে যেকোনো শক্তিপ্রয়োগ, আজ জনগণের আত্মপরিচয়ের ওপর আঘাত বলে মনে করছেন অনেকে।
সামনে কী?
এই আন্দোলন এককেন্দ্রিক মনে হলেও, বিশ্লেষকরা বলছেন এটি আসলে জনগণের জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ঢাকার রাজপথে যদি এই উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে একটি বড় রাজনৈতিক টার্নিং পয়েন্টের দিকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে—এমনটিই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
