যখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রদের উপর নেমে আসে নির্মম পুলিশি হামলা, তখন কিছু প্রিয়পাত্র ছাত্রনেতার জন্য স্টেজ প্রস্তুত করা হয়, ঠাণ্ডা বাতাস চালু থাকে। ইউনূস সরকারের এই বৈষম্যমূলক আচরণ গণতন্ত্রের জন্য এক কলঙ্ক।
গতকাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর চালানো হয় নির্মম ও অমানবিক পুলিশি হামলা। প্রতিবাদরত ছাত্রদের উপর হানা চালানো হয় লাঠি দিয়ে, গ্যাস ছুঁড়ে, নিপীড়ন চালিয়ে।
অন্যদিকে, যখন কিছু সুবিধাভোগী নেতা—যেমন সার্জিস ও হাসনাত—আন্দোলনে নামে, তখন তাদের জন্য স্টেজ বানিয়ে দেওয়া হয়, মাইক-সাউন্ডের ব্যবস্থা করা হয়, এমনকি ঠাণ্ডা পানির ফ্যান চালু থাকে! এটাই কি বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতির নতুন সংজ্ঞা?





🧨 বৈষম্য কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে?
এই দুই ধরনের আচরণ এখন প্রমাণ করে—
এই সরকার নিজের পছন্দের ‘ছাত্র’ বানিয়ে ফেলেছে,
আর বাকিদের করে তুলেছে ‘শত্রু’।
সার্জিস-হাসনাতদের ‘আন্দোলন’ যদি এতটাই পবিত্র হয়, তাহলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রদের রক্ত কেন রাস্তায় পড়ে থাকে?
⚖️ দুই ক্যাম্পাস, দুই বিচার:
- সার্জিস-হাসনাত:
🔹 আগেই অনুমতি
🔹 পুলিশি প্রটেকশন
🔹 মঞ্চ-ব্যবস্থা
🔹 মিডিয়ার প্রশংসা - জগন্নাথ ছাত্ররা:
🔹 হঠাৎ হামলা
🔹 বিনা উস্কানিতে লাঠিপেটা
🔹 কাউকে গ্রেফতার, কাউকে আহত
🔹 প্রশাসনের নীরবতা
🧩 কে শিক্ষার্থী, আর কে ‘সেটেলড’ এজেন্ট?
আজকের বাংলাদেশে প্রশ্ন করতে হয়—
“শিক্ষার্থী মানে কি শুধু সার্জিস-হাসনাত?”
“যারা রাস্তায় মার খায়, যাদের রক্ত ঝরে—তারা কি টিস্যু পেপার?”
এখনকার সরকারপ্রিয় ছাত্রনেতারা যেন ইউনূস সরকারের PR টুলে পরিণত হয়েছে। আর যারা বাস্তব অবস্থার প্রতিবাদ করে, তারা হয়ে যায় রাষ্ট্রবিরোধী।
🚨 ধিক্কার এই বৈষম্যমূলক ‘ছাত্রনীতি’কে:
ইউনূস সরকারের সময়ে ছাত্ররাজনীতি রূপ নিয়েছে এক পক্ষের পৃষ্ঠপোষকতায়, আর অন্য পক্ষের দমন-পীড়নে।
এই দমনযন্ত্র রাষ্ট্রের ভিতরে ভিতরে যে অসন্তোষের আগুন জ্বালিয়ে চলেছে, তার ফল একদিন ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
📌 উপসংহার:
“ছাত্রনেতা মানে এখন সরকার-ঘেঁষা মুখপাত্র।”
“প্রতিবাদকারী মানেই এখন পুলিশি হামলার লক্ষ্য।”
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হচ্ছে স্টেজে বসা সুবিধাভোগীদের মাধ্যমে, আর রক্তাক্ত রাস্তায় শুয়ে থাকা সাধারণ ছাত্রদের চোখের জল দিয়ে।
