বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোনো পণ্য নয়, কোনো পিস কিপিং চুক্তির মুখাপেক্ষী নয়। আমেরিকার চাপ ও ইউনূসের ষড়যন্ত্রের মুখেও এই বাহিনী দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ ও জাতীয় নিরাপত্তার অটল প্রতীক।
📅 প্রকাশের তারিখ: ১৫ মে ২০২৫
ডলারে বিক্রি হয় না বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধুই একটি বাহিনী নয়, এটি একটি চেতনা, আত্মপরিচয়ের প্রতীক। এই বাহিনীর জন্ম ধানক্ষেত আর রক্তাক্ত প্রান্তরে—না যে অফিস কক্ষে, না বিদেশি বোর্ডরুমে।
বর্তমানে আমেরিকা ও তথাকথিত “মধ্যস্থকারী” ড. ইউনূস মিলে ‘আরাকান করিডোর’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীকে সীমান্ত থেকে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে জাতিসংঘের ‘পিস কিপিং’-এর মোহ এবং ডলারের প্রলোভন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কি মাথা নত করবে?
👉 FDI বা বৈদেশিক বিনিয়োগের নামে চক্রান্ত
দেশের অভ্যন্তরে অস্থিরতা তৈরি করে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার এক ভয়ংকর কৌশল নেওয়া হয়েছে। এতে অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করে সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙার চেষ্টা করা হচ্ছে।
👉 পিস কিপিং নয়, দেশপ্রেমে অটল
এই বাহিনীর শক্তি আসে জনগণের ভালোবাসা থেকে, তাদের শপথ হয় পতাকার সামনে। পিস কিপিং না থাকলেও তারা রণাঙ্গনের পাহারাদার, জাতির আত্মার রক্ষক। ডলার দিয়ে কেনা যাবে না এই আত্মত্যাগ।
👉 চক্রান্তকারীরা ভুলে গেছে ইতিহাস
ইউনূসদের ষড়যন্ত্র সুরা আর সিগার ধোঁয়ার ভেতর জন্ম নিলেও সেনাবাহিনী গড়ে উঠেছে রক্ত আর বুলেটের ওপর দাঁড়িয়ে। যারা ভাবে পিস কিপিং বন্ধ করলেই এই বাহিনী দমন হবে, তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে।
👉 জনগণের প্রত্যাশা এখন সেনাবাহিনীর দিকে
এটি কেবল সীমান্তরক্ষার সময় নয়—এখন জাতির আত্মপরিচয় রক্ষার মুহূর্ত। এখন নীরব থাকা মানেই ষড়যন্ত্রকে উৎসাহ দেওয়া।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের জন্য লড়াই করে, ডলারের জন্য নয়। তারা বিক্রি হয় না, তারা মাথা উঁচু করে বলে—আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। যতদিন থাকবে বাংলাদেশ, ততদিন থাকবে তারা, প্রহরায়, প্রতিজ্ঞায়, গর্বে।
