আরাকান করিডোর বাস্তবায়িত হলে দেশের মানচিত্র, নিরাপত্তা এবং জনজীবনে নেমে আসবে রক্তপাত আর শোক। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কি এই ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াবে?
আরাকান করিডোর —এই একটি শব্দেই আজ চট্টগ্রাম পাহাড় থেকে রাজধানীর রাজপথ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক, উদ্বেগ এবং অজানা এক সর্বনাশের সম্ভাবনা। বলা হচ্ছে, এটি হবে বাণিজ্যের জন্য এক ‘স্বপ্নের পথ’। কিন্তু বাস্তবতা বলছে—এই করিডোর এক ভয়াবহ নিরাপত্তা শূন্যতার সূচনা, যার মাধ্যমে বিদেশি সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আগ্রাসন সহজ হবে বাংলাদেশের মাটিতে।
❗ আসল ভয়: এই পথে আসবে রক্ত, গোলাবারুদ ও অস্থিরতা
এই করিডোর চালু হলে শুধু পণ্য নয়—আসবে আগুন, আসবে মৃত্যু, আসবে বিচ্ছিন্নতাবাদ ও উগ্র জঙ্গিবাদ। প্রথম ঝরবে সীমান্তে বসবাসকারী অসহায় জনগণের রক্ত। পেছনে থাকবে রাষ্ট্রীয় নীরবতা, আন্তর্জাতিক চাপ এবং কিছু “বিক্রীত বিবেকের” ষড়যন্ত্র।
🛡️ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী: নায়ক না নীরব সাক্ষী?
এই সেনাবাহিনী মুক্তিযুদ্ধের উত্তরসূরি। এই বাহিনীর হাতে দেশের পতাকা সবচেয়ে নিরাপদ।
কিন্তু আজ যখন তাদের সামনে এসেছে একটি ভয়ঙ্কর রাজনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক ফাঁদ, তখন প্রশ্ন উঠছে—তারা কি দাঁড়াবে দেশের পক্ষে, নাকি চুপচাপ সায় দেবে জাতিকে চিরতরে দুর্বল করার ছকে?
বিশ্লেষকরা বলছেন:
“পিস কিপিং এর ভয় দেখিয়ে যদি সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা হয়, তবে শুধু বাহিনী নয়, পুরো জাতি হারাবে আত্মবিশ্বাস।”
🔥 রাষ্ট্রের বিকল্প পথ নেই:
- আরাকান করিডোর মানে সন্ত্রাসের উন্মুক্ত দরজা
- সেনাবাহিনী নীরব থাকলে চিরতরে ভাঙবে সীমান্তের নিরাপত্তা বলয়
- জনগণের আস্থা হারাবে রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা কাঠামো
- উগ্রপন্থী গোষ্ঠী ও বিদেশি মদদপুষ্ট সংগঠন সক্রিয় হয়ে উঠবে
এখন সময় সেনাবাহিনীর সত্যিকারের পরিচয় দেখানোর। জাতিকে আশ্বস্ত করার। বিদেশি চাপ ও কিছু দেশীয় দালালের চাপ উপেক্ষা করে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে প্রমাণ করতে হবে—তারা বিক্রি হয় না, ভয় পায় না, মাথা নত করে না।
যদি প্রয়োজন হয় পিস কিপিং ছাড়াও দাঁড়িয়ে থাকার—তাও হোক। কারণ, এ দেশের পতাকা বহন করার গৌরব পিস কিপিং নয়—এ দেশের জনগণের রক্ত, ইতিহাস ও সম্মান।
