বিশেষ প্রতিনিধি: স্বপ্নীল আর্য
স্বাধীনতা বিরোধী গোষ্ঠী আজ ক্ষমতার অংশীদার। শহীদদের রক্ত ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে।
বাংলাদেশ একটি রক্তস্নাত মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীন রাষ্ট্র। এই দেশের প্রতিটি মাটি, নদী, খাল-বিল শহীদের রক্তে রঞ্জিত। সেই চেতনাকে ধারণ করেই জাতির আত্মপরিচয় গড়ে উঠেছে। অথচ আজ সেই চেতনাই গভীর ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি।
স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিরা আজ আবার সংগঠিত হচ্ছে। ভয়াবহ বাস্তবতা হলো, তারা এখন সরাসরি বা পরোক্ষভাবে দেশের ক্ষমতার অংশীদার। বিদেশি স্বার্থ ও করিডোরের লোভে কিছু ক্ষমতালিপ্সু গোষ্ঠী দেশকে আবারও পরাধীনতার দিকে ঠেলে দিতে চায়।
তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করতে চায়, যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরসূরি, জঙ্গি-মৌলবাদী গোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করতে চায়। এরা প্রশাসন, অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ঢুকে পড়েছে। এই ঘৃণিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আজ শহীদের রক্তকে অস্বীকার করে, ইতিহাসকে বিকৃত করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাংবাদিক, রাজনীতিক ও সংগঠকদের টার্গেট করা হচ্ছে।
👉 তারা চায়— স্বাধীনতার চেতনার জায়গায় বসুক অন্যদের আধিপত্য।
কিন্তু বাংলার মানুষ বোঝে কে সত্যিকারের দেশপ্রেমিক, আর কে ষড়যন্ত্রকারী। দেশের ৯৯% মানুষ স্বাধীনতার সুফলভোগী। যখন তারা জেগে উঠবে, তখন ষড়যন্ত্রকারীদের আর কোনো ঠাঁই থাকবে না এই বাংলায়।
জঙ্গি-মৌলবাদী উত্থান শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্য হুমকি। যারা এদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে, ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে না।
আজ প্রয়োজন জাতির সর্বস্তরের মানুষের ঐক্য। এই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ে কেউ নিরপেক্ষ থাকতে পারে না। এই দেশ শহীদের, এই দেশ আমাদের। এখনই সময় — জেগে ওঠার, রুখে দাঁড়াবার।
