জুলাই আন্দোলনে ছাত্র নেতা জুনায়েদ হত্যায় সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলাটি প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও মানবাধিকার প্রশ্নে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
রাজধানীর বংশালে ‘জুলাই আন্দোলন’ চলাকালে শেখ মেহেদী হাসান জুনায়েদ হত্যাকাণ্ডের মামলায় আলোচিত সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো
বৃহস্পতিবার (২২ মে) তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। শুনানিতে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম সেই আবেদন মঞ্জুর করে
এর আগে ১৪ মে আদালত তাকে দু’দিনের রিমান্ডে দেন। সেই রিমান্ড শেষে আজ তার কারাগারে প্রেরণের আদেশ আসে। উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর গুলশান এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর বার্ন ইনস্টিটিউট সংলগ্ন এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা চালায় সশস্ত্র আসামিরা। শেখ মেহেদী হাসান জুনায়েদ গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। এ ঘটনায় ৫ সেপ্টেম্বর বংশাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
⚖️ প্রশাসনিক জবাবদিহিতার প্রশ্ন:
জাহাঙ্গীর আলমের রিমান্ড ও কারাবরণ শুধু একজন আমলার বিচার নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের প্রতিচ্ছবি। উচ্চপদস্থ আমলা হিসেবে তার নাম উঠে আসা প্রশাসনিক জড়িত থাকার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাংলাদেশের আমলাতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে, যেখানে একজন সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাকে সরাসরি হত্যাকাণ্ডের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন করা হচ্ছে।
